৪/৪৪. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৪০৩-[১৭] - শীত-গরমে জুমু’আর সময়
পবিত্রতা অর্জন ও সকাল সকাল মসজিদে গমন - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
শীত ও গরমে জুমু’আর সালাতের আমল
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৪০৩-[১৭]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৪০৩-[১৭]
وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ ﷺ إِذَا اشْتَدَّ الْبَرْدُ بَكَّرَ بِالصَّلَاةِ وَإِذَا اشْتَدَّ الْحَرُّ أَبْرَدَ بِالصَّلَاةِ. يَعْنِي الْجُمُعَةَ. رَوَاهُ البُخَارِيّ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) প্রচণ্ড শীতের সময় জুমার সালাত সকাল সকাল (প্রথম ওয়াক্তে) আদায় করতেন, আর প্রচণ্ড গরমের সময় দেরী করে আদায় করতেন। (বুখারী) [১]
[১] সহীহ : বুখারী ৯০৬, শারহু মা‘আনিল আসার ১১২৮, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৫৬৭৮, সহীহ আল জামি‘ ৪৬৭০।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৪০৩-[১৭]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আনাস (রাঃ) জানান, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রচণ্ড শীতের সময় জুমু’আর সালাত সকাল সকাল বা প্রথম সময়ে আদায় করতেন। আর প্রচণ্ড গরমের সময় কিছুটা দেরি করে আদায় করতেন। হাদিসের মূল বিষয় হলো জুমু’আর সালাতের সময় এবং মানুষের অবস্থার প্রতি বাস্তব দৃষ্টি। এতে দেখা যায়, সালাতের ওয়াক্তের মধ্যে থেকে আবহাওয়ার কষ্টও বিবেচনায় আসতে পারে। তবে হাদিসে শুধু নবীজির আমল বলা হয়েছে; এর বাইরে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়। জুমার নামাজের সময়, গরমে জুমা, শীতে জুমার সালাত—এসব প্রশ্নের ক্ষেত্রে এই বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের শেখায়, ইবাদতে শৃঙ্খলার সঙ্গে সহজতাও আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রচণ্ড শীত ও গরমের অবস্থায় সালাতের সময়ের বাস্তব দিক বিবেচিত হতে পারে।
- নবীজির আমল থেকে জুমু’আর সালাতের সময় সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
- ইবাদতে সময়ের গুরুত্ব আছে, আবার মানুষের কষ্টের দিকও বিবেচনার বিষয়।
