৪/৪৪. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৪০৪-[১৮] - জুমু’আর আযানের ইতিহাস
পবিত্রতা অর্জন ও সকাল সকাল মসজিদে গমন - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
জুমু’আর আযান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাদিস
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৪০৪-[১৮]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৪০৪-[১৮]
وَعَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ قَالَ: كَانَ النِّدَاءُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ أَوَّلُه إِذَا جَلَسَ الْإِمَامُ عَلَى الْمِنْبَرِ عَلى عَهْدِ رَسُولِ اللّهِ ﷺ وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ فَلَمَّا كَانَ عُثْمَانُ وَكَثُرَ النَّاسُ زَادَ النِّدَاءَ الثَّالِثَ عَلَى الزَّوْرَاءِ. رَوَاهُ البُخَارِيُّ
সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ), আবূ বাক্র (রাঃ) ও উমর (রাঃ)-এর খিলাফাতকালে জুমার প্রথম আযান দেওয়া হত ইমাম মিম্বারে বসলে। উসমান (রাঃ) খলীফা হবার পর, লোকের সংখ্যা বেড়ে গেলে তিনি 'যাওরা'-এর উপর তৃতীয় আযান বাড়িয়ে দিলেন। (বুখারী) [১]
[১] সহীহ : বুখারী ৯১২, শারহুস্ সুন্নাহ্ ১০৭১, আত্ তিরমিযী ৫১৬, ইবনু মাজাহ্ ১১৩৫।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৪০৪-[১৮]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) জুমু’আর আযানের একটি বাস্তব ইতিহাস তুলে ধরেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবূ বাক্র (রাঃ) এবং উমর (রাঃ)-এর সময়ে জুমু’আর প্রথম আযান দেওয়া হতো যখন ইমাম মিম্বারে বসতেন। পরে উসমান (রাঃ)-এর খিলাফাতকালে মানুষের সংখ্যা বেড়ে গেলে তিনি ‘যাওরা’ নামক স্থানে আরেকটি ডাক বাড়িয়ে দেন। এখানে জুমু’আর আযান, খুতবার আযান এবং লোকসংখ্যা বাড়ার কারণে ব্যবস্থাপনার বিষয়টি উঠে এসেছে। হাদিসটি আমাদের দেখায়, জুমু’আর সালাতের জন্য মানুষকে সতর্ক করা ও জমায়েতের ব্যবস্থা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। তবে বর্ণনার সীমার বাইরে কোনো অতিরিক্ত সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রথম যুগে ইমাম মিম্বারে বসলে জুমু’আর আযান দেওয়া হতো।
- লোকসংখ্যা বাড়লে উসমান (রাঃ) অতিরিক্ত ডাকের ব্যবস্থা করেন।
- জুমু’আর সালাতের আগে মানুষকে জানানো ও প্রস্তুত করা গুরুত্বপূর্ণ।
