৫/১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৫৫১-[২৯] - নবীজির রোগী দেখার আদব
রোগী দেখা ও রোগের সওয়াব - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
নবীজির রোগী দেখা: অসুস্থের পাশে থাকার শিক্ষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৫৫১-[২৯]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৫৫১-[২৯]
وَعَنْ زَيْدَ بْنَ أَرْقَمَ قَالَ: عَادَنِي النَّبِيُّ ﷺ مِنْ وَجَعٍ كَانَ يُصِيْبُنِىْ. رَوَاهُ أَحْمَدُ وَأَبُو دَاوُدَ
যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) একবার আমার চোখের অসুখ হলে আমাকে দেখতে আসলেন। [১]
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ৩১০২, আহমাদ ১৭৭৬১।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৫৫১-[২৯]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) বলেন, তাঁর চোখের অসুখ হলে নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁকে দেখতে এসেছিলেন। হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু এর শিক্ষা গভীর। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) শুধু কথা দিয়ে নয়, কাজের মাধ্যমে অসুস্থ মানুষের খোঁজ নেওয়ার আদব দেখিয়েছেন। চোখের অসুখ সাধারণ কষ্ট নয়; এতে মানুষ দুর্বল, চিন্তিত ও অস্বস্তিতে পড়ে। এমন সময়ে দেখা করতে যাওয়া রোগীর মনে সান্ত্বনা আনে। এখানে মূল বিষয় হলো রোগী দেখা, সহানুভূতি এবং মুসলিম ভাইয়ের প্রতি যত্ন। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, অসুস্থ মানুষকে দেখতে যাওয়া নবীজির আমলের অংশ। তাই পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা মুসলিম ভাই অসুস্থ হলে তার খোঁজ নেওয়া, দোআ করা এবং প্রয়োজন হলে পাশে দাঁড়ানো ভালো কাজ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজি (صلى الله عليه وسلم) অসুস্থ সাহাবির খোঁজ নিতে গিয়েছেন।
- চোখের অসুখসহ ছোট-বড় রোগে রোগী দেখা ভালো কাজ।
- অসুস্থ মানুষের পাশে থাকা তাকে সান্ত্বনা দেয়।
- রোগী দেখা নবীজির সুন্দর আদবের অংশ।
