৫/১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৫৫২-[৩০] - ওজু করে রোগী দেখার ফজিলত
রোগী দেখা ও রোগের সওয়াব - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
ওজু করে রোগী দেখা: সওয়াবের নিয়তের ফজিলত
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৫৫২-[৩০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৫৫২-[৩০]
وَعَنْ أَنَسٍ: قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ: «مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ وَعَادَ أَخَاهُ الْمُسْلِمَ مُحْتَسِبًا بُوعِدَ مِنْ جَهَنَّمَ مَسِيْرَةَ سِتِّينَ خَرِيْفًا». رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সওয়াবের নিয়তে ভাল করে ওজু করার পর তার কোন অসুস্থ মুসলিম ভাইকে দেখতে যায়, তাকে জাহান্নাম থেকে ষাট বছরের পথ দূরে রাখা হবে। [১]
[১] য‘ঈফ : আবূ দাঊদ ৩০৯৭, য‘ঈফ আত্ তারগীব ২০২৫, য‘ঈফ আল জামি‘ আস্ সগীর ৫৫৩৯। শায়খ আলবানী (রহঃ) বলেন, এর সানাদে ফাযল বিন দালহাম আল ওয়াসিত্বী রয়েছে যিনি স্মৃতিশক্তিগত ত্রুটির কারণে একজন দুর্বল রাবী।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৫৫২-[৩০]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি সওয়াবের নিয়তে ভালোভাবে ওজু করে তার অসুস্থ মুসলিম ভাইকে দেখতে যায়, তাকে জাহান্নাম থেকে ষাট বছরের পথ দূরে রাখা হবে। এখানে দুটি বিষয় বিশেষভাবে এসেছে—ভালোভাবে ওজু করা এবং সওয়াবের নিয়তে রোগী দেখা। অর্থাৎ কাজটি শুধু সামাজিক দেখা-সাক্ষাৎ নয়; আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় করলে এর বড় ফজিলত আছে। রোগী দেখা অসুস্থ মানুষের মন ভালো করে, তার জন্য দোআ করার সুযোগ দেয় এবং মুসলিম সম্পর্ককে মজবুত করে। এই হাদিসে “মুসলিম ভাই” কথাটি পারস্পরিক দায়িত্বের কথা মনে করায়। তাই কেউ অসুস্থ হলে আমরা শুধু খবর শুনে থেমে না থেকে, সুযোগ থাকলে দেখা করা বা অন্তত খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করতে পারি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোগী দেখতে যাওয়ার আগে ভালোভাবে ওজু করা ফজিলতের কাজ।
- সওয়াবের নিয়ত কাজের মর্যাদা বাড়ায়।
- অসুস্থ মুসলিম ভাইয়ের খোঁজ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
- রোগী দেখা জাহান্নাম থেকে দূরে থাকার কারণ হিসেবে এসেছে।
