৫/১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৫৮১-[৫৯] - রোগী দেখার ফজিলত ও রহমত
রোগী দেখা ও রোগের সওয়াব - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
রোগী দেখতে যাওয়ার ফজিলত ও আল্লাহর রহমত
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৫৮১-[৫৯]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৫৮১-[৫৯]
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ: «مَنْ عَادَ مَرِيْضًا لَمْ يَزَلْ يَخُوضُ الرَّحْمَةَ حَتّى يَجْلِسَ فَإِذَا جَلَسَ اغْتَمَسَ فِيْهَا». رَوَاهُ مَالِكٌ وَأحْمَدُ
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি যখন কোন রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখার জন্য রওয়ানা হয় তখন সে আল্লাহর রহমতের সাগরে সাঁতার কাটতে থাকে। যে পর্যন্ত রোগীর বাড়ি গিয়ে না পৌঁছে। আর বাড়ি পৌঁছার পর রহমতের সাগরে ডুব দেয়। [১]
[১] সহীহ : আহমাদ ১৪২৬০, ইবনু আবী শায়বাহ্ ১০৮৩৪, সিলসিলাহ্ আস্ সহীহাহ্ ২৫০৪, সহীহ আত্ তারগীব ৩৪৭৭, ইবনু হিব্বান ২৯৫৬, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৬৫৮৩।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৫৮১-[৫৯]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রোগী দেখতে যাওয়ার ফজিলত খুব সুন্দর ভাষায় এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো রুগ্ন মানুষকে দেখতে বের হয়, সে যেন আল্লাহর রহমতের সাগরে সাঁতার কাটতে থাকে, যতক্ষণ না সে রোগীর ঘরে পৌঁছে। আর যখন সে রোগীর কাছে বসে, তখন সে যেন সেই রহমতের সাগরে ডুব দেয়। এখানে মূল শিক্ষা হলো, অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু সামাজিক দায়িত্ব নয়; এটি আল্লাহর কাছে পছন্দনীয় একটি আমল। রোগী দেখতে যাওয়া, রোগীর খোঁজ নেওয়া, তার মন ভালো করা—এসব কাজের সঙ্গে রহমতের সম্পর্ক আছে। হাদিসটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, অসুস্থ মানুষের পাশে যাওয়ার নিয়তও মূল্যবান। তবে ভিজিট যেন রোগীর কষ্টের কারণ না হয়, সে দিকেও খেয়াল রাখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোগী দেখতে যাওয়া আল্লাহর রহমত লাভের কারণ হতে পারে।
- অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইসলামে সুন্দর আমল।
- রোগীর কাছে পৌঁছে বসা ও খোঁজ নেওয়া দয়ার কাজ।
- ভালো নিয়ত নিয়ে রোগী দেখতে বের হওয়াও মূল্যবান।
