৬/৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৮২৬-[৬] - হাদিয়া গ্রহণ ও বিনিময়
যাকাত যাদের জন্য হালাল নয় - প্রথম অনুচ্ছেদ
হাদিয়া গ্রহণ ও প্রতিদান দেওয়ার সুন্নাহ
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৮২৬-[৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৮২৬-[৬]
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللّهُ عَنْهَا قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ يَقَبِّلُ الْهَدِيَّةَ وَيُثِيْبُ عَلَيْهَا. رَوَاهُ البُخَارِيُّ
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হাদিয়া গ্রহণ করতেন এবং বিনিময়ে তিনি তাকেও (হাদিয়া) দিতেন। (বুখারী) [১]
[১] সহীহ : বুখারী ২৫৮৫, আবূ দাঊদ ৩৫৩৬, আত্ তিরমিযী ১৯৫৩, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ১২০২০, মুখতাসার আশ শামায়েল ৩০৬, সহীহ আল জামি‘ আস্ সগীর ৪৯৯৯।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৮২৬-[৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সুন্দর সামাজিক আচরণ বর্ণিত হয়েছে। তিনি হাদিয়া গ্রহণ করতেন এবং বিনিময়ে হাদিয়া দিতেন। এখানে ‘হাদিয়া গ্রহণ’ শুধু বস্তু নেওয়ার বিষয় নয়; এটি মানুষের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখার একটি ভদ্র উপায়। আবার বিনিময় দেওয়া কৃতজ্ঞতার প্রকাশ। হাদিসটি দেখায়, নবী صلى الله عليه وسلم মানুষের দেওয়া উপহারকে গুরুত্ব দিতেন, কিন্তু শুধু গ্রহণ করেই থেমে থাকতেন না। তিনি প্রতিদান দিতেন। এতে দাতা ও গ্রহণকারীর মধ্যে ভালোবাসা, সম্মান এবং সৌহার্দ্য বাড়ে। তবে এই হাদিসে সদাকাহ নয়, হাদিয়ার কথা বলা হয়েছে। তাই যাকাতের মাল বা সদাকাহর বিধানের সঙ্গে এটি গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিয়া গ্রহণ করা নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমলের মধ্যে আছে।
- হাদিয়ার বিনিময় দেওয়া কৃতজ্ঞতার সুন্দর প্রকাশ।
- উপহার মানুষের মধ্যে ভালো সম্পর্ক বাড়াতে পারে।
- হাদিয়া ও সদাকাহর বিধান আলাদা করে বুঝতে হয়।
