৭/২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৯৯৩-[১২] - ইফতারের পরের দোয়া
সওম পর্বের বিক্ষিপ্ত মাসআলা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
ইফতারের পরের দোয়া: নবীজির শেখানো বাক্য
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৯৯৩-[১২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৯৯৩-[১২]
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: كَانَ النَّبِىُّ ﷺ إِذَا أَفْطَرَ قَالَ: ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَآءَ اللهُ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ইফতার করার পর বলতেন, পিপাসা চলে গেছে, (শরীরের) রগগুলো সতেজ হয়েছে। আল্লাহর মর্জি হলে সাওয়াব প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। (আবূ দাঊদ)[১]
[১] হাসান : আবূ দাঊদ ২৩৫৭, মুসতাদারাক লিল হাকিম ১৫৩৬, ইরওয়া ৯২০, সহীহ আল জামি‘ ৪৬৭৮, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৮১৩৩।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৯৯৩-[১২]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইফতারের পরের দোয়া এসেছে। ইফতার করার পর তিনি বলতেন, পিপাসা চলে গেছে, রগগুলো সতেজ হয়েছে এবং আল্লাহ চাইলে সাওয়াব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই দোয়ায় রোজাদারের সারাদিনের কষ্ট, আল্লাহর রিযক গ্রহণ এবং সওয়াবের আশা—সবকিছু খুব সুন্দরভাবে প্রকাশ পায়। “ইন শা আল্লাহ” শব্দটি এখানে বিশেষভাবে মনোযোগের বিষয়, কারণ বান্দা নিজের আমলের বিষয়ে আল্লাহর রহমত ও কবুলের আশা করে। ইফতারের দোয়া, রোজা খোলার দোয়া এবং জাহাবায যামা—এসব শব্দে মানুষ এই হাদিস খোঁজে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, ইফতারের পর কৃতজ্ঞতা ও আশা নিয়ে আল্লাহকে স্মরণ করা সুন্দর আমল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইফতারের পর আল্লাহকে স্মরণ করা নবীজির আমল।
- দোয়ায় রোজার কষ্টের পর আরামের কথা এসেছে।
- সওয়াবের বিষয়ে বান্দা আল্লাহর ইচ্ছা ও রহমতের দিকে তাকায়।
- ইফতার শুধু খাবার নয়; দোয়ার সময়ও।
