৮/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২১৪৬-[৩৮] - সূরা কাহাফ ও দাজ্জালের ফিতনা
কুরআনের মর্যাদা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
সূরা কাহাফের প্রথম আয়াত ও দাজ্জালের ফিতনা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২১৪৬-[৩৮]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২১৪৬-[৩৮]
وَعَن أبِى الدَّرْدَاء قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: «مَنْ قَرَأَ ثَلَاثَ اٰيَاتٍ مِنْ أَوَّلِ الْكَهْفِ عُصِمَ مِنْ فِتْنَةِ الدَّجَّالِ». رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ وَقَالَ: هٰذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ
আবূ দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সূরা আল কাহাফ-এর প্রথম দিকের তিনটি আয়াত পড়বে, তাকে দাজ্জালের ফিতনা হতে নিরাপদ রাখা হবে। (তিরমিযী। তিনি বলেন, এ হাদীসটি হাসান ও সহীহ।)[১]
[১] শায : আর মাহফূয হলো من حفظ عشر أيات এ শব্দে। তিরমিযী ২৮৮৬, য‘ঈফাহ্ ১৩৩৬, য‘ঈফ আত্ তারগীব ৮৮৩, য‘ঈফ আল জামি‘ ৫৭৬৫।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২১৪৬-[৩৮]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সূরা আল কাহাফের প্রথম দিকের তিনটি আয়াতের ফজিলত বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের প্রথম তিন আয়াত পড়বে, তাকে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ রাখা হবে। এখানে ‘ফিতনা’ শব্দটি বড় পরীক্ষা ও বিভ্রান্তির দিকে ইঙ্গিত করে। কুরআনের আয়াত পাঠ মুমিনের ঈমানকে শক্ত করে এবং আল্লাহর ওপর ভরসা বাড়ায়। এই হাদিসে নির্দিষ্টভাবে সূরা কাহাফের শুরু অংশের কথা এসেছে, তাই ব্যাখ্যায় শুধু এই অংশের ওপরই জোর দেওয়া উচিত। ইমাম তিরমিযী হাদিসটিকে হাসান ও সহীহ বলেছেন। তাই সূরা কাহাফের ফজিলত, দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাঁচার আমল এবং কুরআন তিলাওয়াতের গুরুত্ব—সবই এখানে একসাথে বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূরা কাহাফের প্রথম তিন আয়াত পাঠের বিশেষ ফজিলত এসেছে।
- দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপত্তার জন্য কুরআনের সাথে সম্পর্ক জরুরি।
- নির্দিষ্ট আমল সম্পর্কে হাদিসে যা এসেছে, সেটুকুই ধরে রাখা উচিত।
- কুরআন মুমিনের ঈমানকে সতর্ক ও শক্ত রাখতে সাহায্য করে।
