৮/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২১৪৮-[৪০] - সূরা ত্ব-হা ও ইয়াসীনের মর্যাদা
কুরআনের মর্যাদা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
সূরা ত্ব-হা ও ইয়াসীনের মর্যাদা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২১৪৮-[৪০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২১৪৮-[৪০]
وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: «إِنَّ اللّٰهَ تَبَارَكَ وَتَعَالٰى قَرَأَ ﴿طٰهٰ﴾ و ﴿يٰسٓ﴾ قَبْلَ أَنْ يَخْلُقَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ بِأَلْفِ عَامٍ فَلَمَّا سَمِعَتِ الْمَلَائِكَةُ الْقُرْاٰنَ قَالَتْ طُوبٰى لِأُمَّةٍ يَنْزَلُ هٰذَا عَلَيْهَا وَطُوبٰى لِأَجْوَافٍ تَحْمِلُ هٰذَا وَطُوبٰى لِأَلْسِنَةٍ تَتَكَلَّمُ بِهٰذَا». رَوَاهُ الدَّارِمِىُّ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা আসমান ও জমিন সৃষ্টির এক হাজার বছর পূর্বে সূরা ত্ব-হা- ও সূরা ইয়াসীন পাঠ করলেন। মালায়িকাহ্ (ফেরেশতা) (ফেরেশতাগণ) তা শুনে বললেন, ধন্য সে জাতি যাদের ওপর এ সূরা নাযিল হবে। ধন্য সে পেট যে এ সূরা ধারণ করবে। ধন্য সে মুখ (জিহ্বা), যে তা উচ্চারণ করবে। (দারিমী)[১]
[১] মুনকার : দারিমী ৩৪৫৭, শু‘আবূল ঈমান ২২২৫, য‘ঈফাহ্ ১২৪৮। কারণ এর সানাদে ইব্রাহীম সম্পর্কে ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেছেন, মুনকারুল হাদীস। আর ইমাম নাসায়ী (রহঃ) বলেছেন, দুর্বল।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২১৪৮-[৪০]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সূরা ত্ব-হা ও সূরা ইয়াসীনের মর্যাদা একটি বিশেষ বর্ণনার মাধ্যমে এসেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ আসমান ও জমিন সৃষ্টির এক হাজার বছর আগে সূরা ত্ব-হা ও সূরা ইয়াসীন পাঠ করেছেন। ফেরেশতারা তা শুনে বললেন, ধন্য সেই উম্মত, যাদের ওপর এই সূরা নাযিল হবে; ধন্য সেই পেট, যা এগুলো ধারণ করবে; ধন্য সেই জিহবা, যা এগুলো উচ্চারণ করবে। এই বর্ণনায় কুরআন মুখস্থ করা, কুরআন ধারণ করা এবং কুরআন তিলাওয়াতের মর্যাদা ফুটে ওঠে। এখানে শিক্ষাটি সহজ: কুরআনের আয়াত শুধু বইয়ের পাতায় রাখার বিষয় নয়; তা মুখে, মনে ও জীবনে স্থান দেওয়া মুমিনের সৌভাগ্যের কাজ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূরা ত্ব-হা ও সূরা ইয়াসীনের মর্যাদা বর্ণনায় এসেছে।
- কুরআন মুখস্থ করা ও অন্তরে ধারণ করা প্রশংসনীয় কাজ।
- কুরআন উচ্চারণকারী জিহবার মর্যাদা স্মরণ করানো হয়েছে।
- কুরআনের সাথে সম্পর্ক উম্মতের জন্য বড় নেয়ামত।
