৮/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২১৪৯-[৪১] - রাতে সূরা দুখান পাঠের ফজিলত
কুরআনের মর্যাদা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
রাতে সূরা দুখান পাঠের ফজিলত
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২১৪৯-[৪১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২১৪৯-[৪১]
وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: «مَنْ قَرَأَ ﴿حٰمٓ﴾ الدُّخَانِ فِىْ لَيْلَةٍ أَصْبَحَ يَسْتَغْفِرُ لَه سَبْعُونَ أَلْفَ مَلَكٍ». رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ وَقَالَ: هٰذَا حَدِيْثٌ غَرِيْبٌ وَعَمْرُ بْنُ أبِىْ خَثْعَمٍ الرَّاوِي يُضَعَّفُ وَقَالَ مُحَمَّدٌ يَعْنِى الْبُخَارِىَّ هُوَ مُنْكَرُ الحَدِيْثِ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাতে সূরা ‘হা-মীম’ আদ্ দুখা-ন পড়ে। তার সকাল এভাবে হয় যে সত্তর হাজার মালাক (ফেরেশতা) আল্লাহর নিকট তার জন্য মাগফিরাত চাইতে থাকেন। (তিরমিযী। তিনি বলেন, এ হাদীসটি গরীব। একজন বর্ণনাকারী ‘আমর ইবনু আবূ খাস্‘আম য‘ঈফ। ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেছেন, ‘আমর একজন মুনকার রাবী।)[১]
[১] মাওযূ‘ (জাল) : তিরমিযী ২৮৮৮, য‘ঈফ আত্ তারগীব ৯৭৮, য‘ঈফ আল জামি‘ ৫৭৬৬। কারণ এর সানাদে ‘উমার ইবনু আবূ খাস্‘আম সম্পর্কে ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেছেন সে মুনকারুল হাদীস।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২১৪৯-[৪১]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাতে সূরা হা-মীম আদ্ দুখান পড়ার ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি রাতে সূরা দুখান পড়বে, তার সকাল এমন অবস্থায় হবে যে সত্তর হাজার ফেরেশতা তার জন্য আল্লাহর কাছে মাগফিরাত চাইতে থাকবেন। এটি কুরআন তিলাওয়াত, রাতের আমল এবং মাগফিরাতের আশার সাথে জড়িত একটি বর্ণনা। তবে একই সাথে হাদিসের শেষে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতাও আছে। ইমাম তিরমিযী বলেছেন, হাদিসটি গরীব। আরও বলা হয়েছে, একজন বর্ণনাকারী আমর ইবনু আবূ খাস‘আম দুর্বল, আর ইমাম বুখারী তাকে মুনকার রাবী বলেছেন। তাই এই হাদিসের ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়। কুরআন পড়া সব সময় ভালো আমল; কিন্তু নির্দিষ্ট ফজিলত বলার সময় বর্ণনার মান মনে রাখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাতে কুরআন তিলাওয়াত প্রশংসনীয় আমল।
- সূরা দুখান পাঠের ফজিলত সম্পর্কে বর্ণনা আছে।
- ফেরেশতাদের মাগফিরাত চাওয়ার কথা মানুষকে তাওবার দিকে টানে।
- দুর্বলতার নোট থাকলে নির্দিষ্ট ফজিলত প্রচারে সতর্ক থাকা উচিত।
