৮/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২১৫০-[৪২] - জুমার রাতে সূরা দুখান
কুরআনের মর্যাদা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
জুমার রাতে সূরা দুখান পাঠ
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২১৫০-[৪২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২১৫০-[৪২]
وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: «مَنْ قَرَأَ ﴿حٰمٓ﴾ الدُّخَانِ فِىْ لَيْلَةِ الْجُمْعَةِ غُفِرَ لَه». رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ وَقَالَ: هٰذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ وَهِشَام أَبُو الْمِقْدَام الرَّاوِىْ يُضَعَّفُ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জুমার রাতে সূরা ‘হা-মীম আদ্ দুখা-ন’ পড়বে তাকে মাফ করে দেয়া হবে। (তিরমিযী। তিনি বলেছেন, এ হাদীসটি গরীব। এর রাবী আবূল মিকদাম হিশাম কে দুর্বল বলা হয়েছে।)[১]
[১] খুবই দুর্বল : তিরমিযী ২৮৮৯, য‘ঈফাহ্ ৪৬৩২, য‘ঈফ আল জামি‘ ৫৭৬৭। কারণ এর সানাদে হিশাম আবিল মিকদাম একজন মাতরূক রাবী এবং হাসান আল বাসরী (রহঃ) আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে শ্রবণ করেননি। ফলে সানাদে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি হয়েছে। যেমনটি ইমাম তিরমিযী (রহঃ) হাদীস বর্ণনা শেষে বলেছেন।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২১৫০-[৪২]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জুমার রাতে সূরা হা-মীম আদ্ দুখান পাঠের একটি ফজিলত এসেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার রাতে সূরা দুখান পড়বে, তাকে মাফ করে দেওয়া হবে। বর্ণনাটি মাগফিরাতের আশা জাগায় এবং জুমার রাতকে কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে কাটানোর দিকে উৎসাহ দেয়। তবে এখানে সতর্কতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ইমাম তিরমিযী বলেছেন, হাদিসটি গরীব, এবং এর রাবী আবূল মিকদাম হিশামকে দুর্বল বলা হয়েছে। তাই এই হাদিসকে প্রচার করার সময় নির্দিষ্ট ফজিলত নিয়ে জোরালো দাবি না করে বলা ভালো যে, এটি একটি বর্ণিত ফজিলত, যার সনদ সম্পর্কে মন্তব্য আছে। কুরআন পড়া নিজেই নেক আমল, আর মাগফিরাত আল্লাহর দয়া।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমার রাত কুরআন তিলাওয়াতের জন্য ভালো সময় হতে পারে।
- সূরা দুখান পাঠের মাগফিরাত সম্পর্কিত বর্ণনা এসেছে।
- দুর্বল রাবীর নোট থাকলে ভাষা সতর্ক রাখা উচিত।
- মাগফিরাতের আশা মানুষকে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে নেয়।
