৯/০. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২২৪৬-[২৪] - ব্যাপক অর্থের দু‘আ

দোয়া - তৃতীয় অনুচ্ছেদ

ব্যাপক অর্থবোধক দু‘আ কেন পছন্দনীয়

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২২৪৬-[২৪]

وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللّٰهُ عَنْهَا قَالَتْ: كَانَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ يَسْتَحِبُّ الْجَوَامِعَ مِنَ الدُّعَاءِ وَيَدَعُ مَا سِوٰى ذٰلِكَ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পরিপূর্ণ (ব্যাপক অর্থবোধক দুনিয়া এবং আখিরাতকে শামিল করে) দোয়া করাকে পছন্দ করতেন এবং এছাড়া অন্য দোয়া অধিকাংশ সময় পরিহার করতেন। (আবূ দাঊদ)[১]

[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ১৪৮২, সহীহ আল জামি‘ ৪৯৪৯, ইবনু আবী শায়বাহ্ ২৯১৬৫।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২২৪৬-[২৪]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা জানিয়েছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরিপূর্ণ ও ব্যাপক অর্থবোধক দু‘আ পছন্দ করতেন। এমন দু‘আতে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ একসঙ্গে চাওয়া যায়। হাদিসে আরও এসেছে, তিনি এর বাইরে অন্য ধরনের দু‘আ অধিকাংশ সময় পরিহার করতেন। এই শিক্ষা আমাদের দু‘আকে সহজ ও অর্থপূর্ণ করতে সাহায্য করে। অনেক সময় মানুষ দীর্ঘ বাক্যে অনেক কিছু বলতে চায়, কিন্তু সংক্ষিপ্ত ও ব্যাপক দু‘আ অনেক বেশি গুছানো হতে পারে। এখানে মূল বিষয় হলো জাওয়ামি‘উদ দু‘আ বা সারগর্ভ দু‘আ। এতে আল্লাহর কাছে এমন কল্যাণ চাওয়া হয় যা জীবনের বড় প্রয়োজনগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ব্যাপক অর্থবোধক দু‘আ করা পছন্দনীয়।
  • দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ একসঙ্গে চাওয়া উত্তম।
  • দু‘আ সংক্ষিপ্ত হলেও অর্থে পূর্ণ হতে পারে।
  • রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم অর্থপূর্ণ দু‘আকে গুরুত্ব দিতেন।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন