৯/১. অধ্যায়ঃ
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা'আলার জিকির ও তাঁর নৈকট্য লাভ - প্রথম অনুচ্ছেদ
এখানে জিকির দ্বারা উদ্দেশ্য হলো,سُبْحَانَ اللهُ، اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ، لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ، لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ، بِسْمِ اللهِ، حَسْبِىَ اللهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ، اَسْتَغْفِرُ اللهَসুবহা-নাল্ল-হ, আল হামদুলিল্লা-হ, লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু, আল্ল-হু আকবার, লা- হাওলা ওয়ালা- ক্যুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হ, বিসমিল্লা-হ, হাসবিয়াল্ল-হু লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ, আসতাগফিরুল্ল-হু সহ দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ কামনা করে দু’আ করা।জিকিরুল্লা-হ দ্বারা এটাও উদ্দেশ্য হতে পারে যে, সর্বদাই ভাল কাজে লিপ্ত থাকা যেমনঃ কুরআন তিলাওয়াত করা, হাদীস পাঠ করা, দীনী ’ইলম শিক্ষা করা, নফল সালাত আদায় করা ও উপরোক্ত দু’আগুলো মুখে বলা। এখানে দু’আর অর্থ জানা শর্ত নয় তবে জানলে অবশ্যই বেশি উত্তম।ইমাম নাবাবী (রহঃ) বলেন, শুধু মনে মনে জিকির করার চাইতে মনে মনে জিকির ও তা মুখে উচ্চারণ করা উত্তম। আর তিনি আরো বলেন, জিকির শুধুسبحان الله، الحمد لله، لا اله الا الله، لا حول ولا قوة الا باللهএর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বরং মু’মিন, মুসলিমের জীবনের সমুদয় ’আমলই যিকিরের অন্তর্ভুক্ত হবে।
মিশকাতুল মাসাবিহ : ২২৫৯-[৭]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ২২৫৯-[৭]
وَعَنْ أَبِىْ سَعِيدٍ الْخُدْرِىِّ أَنَّ النَّبِىَّ ﷺ قَالَ: «مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَدْعُو بِدَعْوَةٍ لَيْسَ فِيهَا إِثْمٌ وَلَا قَطِيعَةُ رَحِمٍ إِلَّا أَعْطَاهُ اللّٰهُ بِهَا إِحْدٰى ثَلَاثٍ: إِمَّا أَنْ يُعَجِّلَ لَه دَعْوَتَه وَإِمَّا أَنْ يَدَّخِرَهَا لَه فِى الْاٰخِرَةِ وَإِمَّا أَنْ يَصْرِفَ عَنْهُ مِنَ السُّوْءِ مِثْلَهَا» قَالُوْا: إِذَنْ نُكْثِرُ قَالَ: «اَللهُ أَكْثَرُ». رَوَاهُ أَحْمَدُ
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মুসলিম দু‘আ করার সময় কোন গুনাহের অথবা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নের দু‘আ না করলে অবশ্যই আল্লাহ তা‘আলা তাকে এ তিনটির একটি দান করেন। (১) হয়তো তাকে তার কাঙ্ক্ষিত সুপারিশ দুনিয়ায় দান করেন,(২) অথবা তা তার পরকালের জন্য জমা রাখেন এবং(৩) অথবা তার মতো কোন অকল্যাণ বা বিপদাপদকে তার থেকে দূরে করে দেন। সাহাবীগণ বললেন, তবে তো আমরা অনেক বেশি লাভ করব। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আল্লাহ এর চেয়েও বেশি দেন। (আহমদ)[১]
[১] সহীহ : ইবনু আবী শায়বাহ্ ২৯১৭০, সহীহ আদাবুল মুফরাদ ৫৫০/৭১০, সহীহ আত্ তারগীব ১৬৩৩, আহমাদ ১১১৩৩, শু‘আবূল ঈমান ১০৯০।
