২৯/১. অধ্যায়ঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মর্যাদা, তার উত্তম গুণাবলি, তার বদান্যতা ও শ্রেষ্ঠত্বের বিস্তারিত বিবরণ গণনা করা ও আয়ত্ব করা সম্ভব নয়, বরং তা গুণে শেষ করা যাবে না। তবে লেখক এখানে রাসূলের মর্যাদা অধ্যায় রচনার উদ্দেশ্য তাঁর মর্যাদা ও ফযীলতের কিছু দিক তুলে ধরেছেন যাতে এগুলোর মাধ্যমে অন্যগুলো উপলব্ধি করা যায়।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «بُعِثْتُ مِنْ خَيْرِ قُرُونِ بَنِي آدَمَ قَرْنًا فَقَرْنًا حَتَّى كُنْتُ من القرنِ الَّذِي كنتُ مِنْهُ». رَوَاهُ البُخَارِيّ رواہ البخاری (3557) ۔ (صَحِيح)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : আমি আদাম (আঃ)-এর সন্তানদের প্রত্যেক যুগের উত্তম শ্রেণিতে যুগের পর যুগ স্থানান্তরিত হয়ে এসেছি। সবশেষে ঐ যুগে জন্মগ্রহণ করি, যে যুগে আমি বর্তমানে আছি।
সহীহ: বুখারী ৩৫৫৭, মুসনাদে আহমাদ ৮৮৪৪, শুআবুল ঈমান ১৩৯২, আবু ইয়া'লা ৬৫৫৩, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ৮০৯।
وَعَنْ وَاثِلَةَ بْنِ الْأَسْقَعِ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «إِنَّ اللَّهَ اصْطَفَى كِنَانَةَ مِنْ وَلَدِ إِسْمَاعِيلَ وَاصْطَفَى قُرَيْشًا مِنْ كِنَانَةَ وَاصْطَفَى مِنْ قُرَيْشٍ بَنَى هَاشِمٍ وَاصْطَفَانِي مِنْ بَنِي هَاشِمٍ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ وَفِي رِوَايَةٍ لِلتِّرْمِذِيِّ: «إِنَّ اللَّهَ اصْطَفَى مِنْ ولد إِبْرَاهِيم إِسْمَاعِيل وَاصْطفى من ولد إِسْمَاعِيل بني كنَانَة» رواہ مسلم (1 / 2276)، (5938) و الترمذی (3606) ۔ (صَحِيح)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ তা'আলা ইসমা'ঈল (আঃ)-এর বংশধর হতে ‘কিনানাহ্'র বংশধরকে নির্বাচন করেছেন। আর কিননার বংশধর হতে কুরায়শ বংশকে নির্বাচন করেছেন। আবার কুরায়শ বংশ হতে বান্ হাশিম পরিবার হতে আমাকেই বাছাই করেছেন। আর তিরমিযীর বর্ণনায় আছে- আল্লাহ তা'আলা ইবরাহীম (আঃ) -এর বংশে ইসমা'ঈল (আঃ)-কে এবং ইসমা'ঈল (আঃ)-এর বংশে বানূ কিনানাকে মনোনীত করেছেন।
সহীহঃ মুসলিম ১-(২২৭৬), সহীহ ইবনু হিব্বান ৬২৪২, আবূ ইয়া'লা ৭৪৮৫, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ৩০২।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَنَا سَيِّدُ وَلَدِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَأَوَّلُ مَنْ يَنْشَقُّ عَنْهُ الْقَبْرُ وَأَوَّلُ شَافِعٍ وَأَوَّلُ مُشَفَّعٍ . رَوَاهُ مُسْلِمٌ رواہ مسلم (3 / 2278)، (5940) ۔ (صَحِيح)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : ক্বিয়ামাতের দিন আমি আদাম সন্তানদের নেতা হব। আমিই সকলের আগে কবর হতে উত্থিত হব। সকলের আগে আমিই সুপারিশ করব এবং সর্বপ্রথম আমার শাফা'আত গ্রহণ করা হবে।
সহীহ: মুসলিম ৩-(২২৭৮), আবু দাউদ ৬৪৭৩, তিরমিযী ৩৬১৬, ইবনু মাজাহ ৪৩৫৮, মুসনাদে আহমাদ ১০৯৮৫, মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ ৩১৭২৮, আত্ তারগীব ওয়াত তারহীব ৩৫৪৩, দারিমী ৪৯, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬২৪২, হিলইয়াতুল আওলিয়া ৪/৭৭, আল মুজামুল কাবীর লিত্ব তবারানী ২৬১০, আস সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী ১৮১৬৮।
وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَنَا أَكْثَرُ الْأَنْبِيَاءِ تَبَعًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَأَنَا أَوَّلُ مَنْ يَقْرَعُ بَابَ الجنةِ». رَوَاهُ مُسلم رواہ مسلم (331 / 196)، (484) ۔ (صَحِيح)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : ক্বিয়ামাতের দিন নবীদের মধ্যে আমার অনুসারীদের সংখ্যা হবে সবচাইতে বেশি। আর আমিই সর্বপ্রথম জান্নাতের দরজা খুলিয়ে নেব।
সহীহ: মুসলিম ৩৩১-(১৯৬), সিলসিলাতুস সহীহাহ ১৫৭০, মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ্ ৩১৭৮১, আবূ ইয়া'লা ৯৩, ৩৯৫৯, শু’আবুল ঈমান ৮৬১১, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৪৮১, মুসনাদে আহমাদ ১৩, মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ্ ৩১৭৮১।
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: آتِي بَابَ الْجَنَّةِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَأَسْتَفْتِحُ فَيَقُولُ الْخَازِنُ: مَنْ أَنْتَ؟ فَأَقُولُ: مُحَمَّدٌ. فيقولُ: بكَ أمرت أَن لاأفتح لأحد قبلك. رَوَاهُ مُسلم رواہ مسلم (333 / 197)، (486) ۔ (صَحِيح)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : কেয়ামতের দিন আমি জান্নাতের দরজায় এসে তা খোলার জন্য বলব। তখন তার প্রহরী বলবেন, তুমি কে? বলব, আমি মুহাম্মাদ (ﷺ) তখন প্রহরী বলবেন, আপনার সম্পর্কে আমাকে এ নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, আপনার আগে আমি যেন অন্য কারো জন্য এ দরজা না খুলি।
সহীহ: মুসলিম ৩৩৩-(১৯৭), মুসনাদে আহমাদ ১২৪৪২, মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ ৩১৬৫১, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ ৭৭৪।
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَنَا أَوَّلُ شَفِيعٍ فِي الْجَنَّةِ لَمْ يُصَدَّقْ نَبِيٌّ مِنَ الْأَنْبِيَاءِ مَا صُدِّقْتُ وَإِنَّ مِنَ الْأَنْبِيَاءِ نَبِيًّا مَا صَدَّقَهُ مِنْ أُمَّته إِلَّا رجل وَاحِد». رَوَاهُ مُسلم رواہ مسلم (332 / 196)، (485) ۔ (صَحِيح)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : আমিই সর্বপ্রথম জান্নাতের জন্য শাফা'আতকারী। আমার নুবুওয়্যাত ও রিসালাতকে এত অধিক সংখ্যক লোক বিশ্বাস করেছে যে, কোন নবীকেই অনুরূপ সংখ্যক লোক বিশ্বাস করেনি এবং এমন নবীও অতিবাহিত হয়েছেন যার উম্মাতের মধ্যে শুধু এক লোক তাঁকে বিশ্বাস করেছে।
সহীহ: মুসলিম ৩৩২-(১৯৬), সিলসিলাতুস সহীহাহ্ ৩৯৭, মুসনাদে আহমাদ ১২৪৪২, মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ ৩১৬৫১।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَثَلِي وَمَثَلُ الْأَنْبِيَاءِ كَمَثَلِ قَصْرٍ أُحْسِنَ بُنْيَانُهُ تُرِكَ مِنْهُ مَوضِع لبنة فَطَافَ النظَّارُ يتعجَّبونَ من حُسنِ بنيانِه إِلَّا مَوْضِعَ تِلْكَ اللَّبِنَةِ فَكُنْتُ أَنَا سَدَدْتُ مَوْضِعَ اللَّبِنَةِ خُتِمَ بِيَ الْبُنْيَانُ وَخُتِمَ بِي الرُّسُلُ». وَفِي رِوَايَةٍ: «فَأَنَا اللَّبِنَةُ وَأَنَا خَاتَمُ النَّبِيِّينَ» . مُتَّفق عَلَيْهِ متفق علیہ ، رواہ البخاری (3534 و الروایۃ الثانیۃ : 3535) و مسلم (21 ، 20 / 2286، (5960) و الروایۃ الثانیۃ 22 / 2286)، (5961) ۔ (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : আমার উপমা ও (আমার পূর্ববর্তী) অন্যান্য নবীদের উপমা হলো এরূপ- যেমন একটি প্রাসাদ, যা সুশোভিত করে তৈরি করা হয়েছে, তবে এক জায়গাতে একটি ইটের জায়গা খালি রাখা হয়েছে। অতঃপর লোকেরা তা ঘুরে দেখে বিস্মিত হয় যে, তার তৈরি কত সুন্দর, কিন্তু একটি ইটের স্থান খালি রয়েছে। তিনি (ﷺ) বলেন, আমি উক্ত খালি ইটের স্থানটি পূর্ণ করি। আমার দ্বারাই উক্ত প্রাসাদটি সমাপ্ত করা হয়েছে এবং আমার দ্বারাই নবী আগমনের সিলসিলা শেষ করা হয়েছে। অপর এক বর্ণনাতে আছে, আমিই সেই ইট এবং আমিই নবীদের সিলসিলা সমাপ্তকারী।
সহীহঃ বুখারী ৩৫৩৪, মুসলিম ২০-(২২৮৬), তিরমিযী ২৮৬২, মুসনাদে আহমাদ ৮১০১, মুসনাদে ‘আবদ ইবনু হুমায়দ ১০৩৭, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৪০৬, আস্ সুনানুল কুবরা লিন্ নাসায়ী ১১৪২২, আল মু'জামুল কাবীর লিত্ব তবারানী ২৩, আল মু'জামুল আওসাত্ব ৩২৭৪, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী ১৮১৭৫।
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا مِنَ الْأَنْبِيَاءِ مِنْ نَبِيٍّ إِلَّا قَدْ أُعْطِيَ مِنَ الْآيَاتِ مَا مِثْلُهُ آمَنَ عَلَيْهِ الْبَشَرُ وَإِنَّمَا كَانَ الَّذِي أُوتِيتُ وَحْيًا أَوْحَى اللَّهُ إِلَيَّ وَأَرْجُو أَنْ أَكُونَ أَكْثَرَهُمْ تَابِعًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ متفق علیہ، رواہ البخاری (4981) و مسلم (239 / 152)، (385) ۔ (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : এমন কোন নবী অতিবাহিত হননি যাঁকে এরূপ কিছু মু'জিযাহ্ দেয়া হয়নি, যার অনুপাতে লোকেরা ঈমান এনেছে। কিন্তু আমাকে যা দেয়া হয়েছে তা হলো ওহী, যা আল্লাহ তা'আলা আমার কাছে অবতীর্ণ করেছেন। অতএব আমি আশা করি, কেয়ামতের দিন তাঁদের তুলনায় আমার অনুসারীর সংখ্যা হবে অধিক।
সহীহ: বুখারী ৪৯৮১, মুসলিম ২৩৯-(১৫২), মুসনাদে আহমাদ ৯৮২৭, আস্ সুনানুল কুবরা লিন্ নাসায়ী ৭৯৭৭, হিলইয়াতুল আওলিয়া ১০/২৩৩, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী ১৮১৬৭।
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أُعْطِيتُ خَمْسًا لَمْ يُعْطَهُنَّ أَحَدٌ قَبْلِي: نُصِرْتُ بِالرُّعْبِ مَسِيرَةَ شَهْرٍ وَجُعِلَتْ لِيَ الْأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَهُورًا فَأَيُّمَا رَجُلٍ مِنْ أُمَّتي أدركتْه الصَّلاةُ فليُصلِّ وأُحلَّتْ لي المغانمُ وَلَمْ تَحِلَّ لِأَحَدٍ قَبْلِي وَأَعْطِيتُ الشَّفَاعَةَ وَكَانَ النَّبِيُّ يُبْعَثُ إِلَى قَوْمِهِ خَاصَّةً وَبُعِثْتُ إِلَى النَّاسِ عامَّةً . مُتَّفق عَلَيْهِ متفق علیہ، رواہ البخاری (335) و مسلم (3 / 521)، (1163) ۔ (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : আমাকে এমন পাঁচটি জিনিস দেয়া হয়েছে, যা আমার আগে আর কাউকে দেয়া হয়নি।১. আমাকে এক মাসের দূরত্বের মধ্যে রুবি (ভীতি) দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে।২. আমার জন্য মাটিকে মসজিদ ও পবিত্রতা অর্জনের উপকরণ বানানো হয়েছে। কাজেই আমার উম্মাতের কোন লোক যেখানেই সালাতের সময় হয়ে যাবে, সে যেন সেখানেই সালাত আদায় করে নেয়।৩. আমার জন্য গনীমাতের সম্পদ বৈধ করা হয়েছে, যা ইতোপূর্বে কারো জন্য বৈধ ছিল না।৪. আমাকে শাফা'আতের অধিকার দেয়া হয়েছে।৫. প্রত্যেক নবী প্রেরিত হয়েছেন কেবলমাত্র আপন আপন গোত্রের জন্য, কিন্তু আমি প্রেরিত হয়েছি সমগ্র মানবজাতির জন্য।
সহীহঃ বুখারী ৩৩৫, মুসলিম ৩-(২১), নাসায়ী ৪৩২, সহীহ আবু দাউদ ৫০৬, ইরওয়াউল গালীল ২৮৫, মা'রিফাতুস্ সুনান ওয়াল আসার ৩১৬৪৫, মুসনাদে আবদ ইবনু হুমায়দ ১১৫৪, মুসনাদুল হুমায়দী ৯৪৫, মুসনাদে বাযযার ৬৪৬, মুসনাদে আহমাদ ২৭৪২, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৩৯৮।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: فُضِّلْتُ عَلَى الْأَنْبِيَاءِ بِسِتٍّ: أُعْطِيتُ جَوَامِعَ الْكَلِمِ وَنُصِرْتُ بِالرُّعْبِ وَأُحِلَّتْ لِيَ الْغَنَائِمُ وَجُعِلَتْ لِيَ الْأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَهُورًا وَأُرْسِلْتُ إِلَى الْخَلْقِ كَافَّةً وَخُتِمَ بِيَ النَّبِيُّونَ . رَوَاهُ مُسلم رواہ مسلم (5 / 523)، (1167) ۔ (صَحِيح)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : আমাকে ছয়টি বিষয়ে অন্যান্য নবীদের ওপরে সম্মান দেয়া হয়েছে।১. আমি ‘জাওয়ামিউল কালিম' প্রাপ্ত হয়েছি (অর্থাৎ আমাকে অল্প কথায় ব্যাপক অর্থ ব্যক্ত করার দক্ষতা দেয়া হয়েছে)২. রু‘ব (ভীতি) দ্বারা আমাকে সাহায্য করা হয়েছে।৩. আমার জন্য গনীমাতের সম্পদ বৈধ করা হয়েছে।৪. সমগ্র জমিন আমার জন্য মসজিদ ও পবিত্রতার উপাদান করা হয়েছে।৫. গোটা বিশ্বের সৃষ্টিজীবের জন্য আমাকে (নবীরূপে) প্রেরণ করা হয়েছে।৬. নবী আগমনের সিলসিলা আমার মাধ্যমেই শেষ করা হয়েছে।
সহীহ: মুসলিম ৫-(৫২৩), তিরমিযী ১৫৫৩, ইরওয়া ১৫২, মুসনাদে আহমাদ ৯৩২৬, মারিফাতুস্ সুনান ওয়াল আসার ১৩৭৩, আবূ ইয়া'লা ৬৪৯১, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৪০১, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী ৪৪৩৮।