মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ০ - জিকিরে শয়তানের ওয়াসওয়াসা দূর
জিকির করলে শয়তানের ওয়াসওয়াসা দূর হয়
মিশকাতুল মাসাবীহ : ০
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ০
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: الشَّيْطَانُ جَاثِمٌ عَلٰى قَلْبِ ابْنِ اٰدَمَ فَإِذَا ذَكَرَ اللّٰهَ خَنَسَ وَإِذَا غَفَلَ وَسْوَسَ. رَوَاهُ البُخَارِىُّ تَعْلِيْقًا
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ শয়তান আদম সন্তানের কলবের বা অন্তরের উপর জেঁকে বসে থাকে। যখন সে আল্লাহর জিকির করে তখন সরে যায় আর যখন গাফিল বা অমনোযোগী হয় তখন শয়তান তার দিলে ওয়াস্ওয়াসা দিতে থাকে। (বুখারী তা‘লীক হিসেবে)[১]
[১] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ্ ৩৪৭৭৪।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জিকিরের একটি গভীর প্রভাব সহজ ভাষায় বলা হয়েছে। শয়তান মানুষের অন্তরের উপর জেঁকে বসে থাকে। মানুষ যখন আল্লাহর জিকির করে, তখন সে সরে যায়। আর যখন মানুষ গাফিল বা অমনোযোগী হয়, তখন শয়তান তার দিলে ওয়াসওয়াসা দিতে থাকে। তাই আল্লাহর জিকির শুধু মুখের আমল নয়; এটি অন্তরকে সতর্ক রাখার একটি বড় উপায়। হাদিসটি আমাদের শেখায়, গাফিলতি মানুষের ভেতরে খারাপ চিন্তা ঢোকার দরজা খুলে দিতে পারে। আর আল্লাহকে স্মরণ করা সেই দরজা বন্ধ করার কারণ হয়। তাই দৈনন্দিন জীবনে ছোট ছোট জিকিরও অন্তরের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আল্লাহর জিকির করলে শয়তানের ওয়াসওয়াসা দূরে সরে যায়।
- গাফিলতি অন্তরে খারাপ চিন্তা আসার সুযোগ তৈরি করে।
- জিকির অন্তরকে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে রাখে।
- প্রতিদিনের জীবনে আল্লাহকে স্মরণ করা মুমিনের জন্য জরুরি অভ্যাস।
