১০/২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৩৫৭-[৩৫] - ভালো কাজে খুশি, মন্দে ইস্তিগফার
ক্ষমা ও তাওবা - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
ভালো কাজে খুশি ও মন্দ কাজে ইস্তিগফারের দোআ
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৩৫৭-[৩৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৩৫৭-[৩৫]
وَعَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِىَّ ﷺ كَانَ يَقُولُ: «اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِىْ مِنَ الَّذِينَ إِذا أحْسَنُوْا اِسْتَبْشَرُوْا وَإِذَا أَسَاؤُوْا اِسْتَغْفَرُوْا». رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ وَالْبَيْهَقِىُّ فِى الدَّعَوَاتِ الْكَبِيْرِ
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলতেন, হে আল্লাহ! আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করো যারা ভাল কাজ করে খুশী হয় ও মন্দ কাজ করে ক্ষমা চায়। (ইবনু মাজাহ, বায়হাক্বী- দা‘ওয়াতুল কাবীর)[১]
[১] য‘ঈফ : ইবনু মাজাহ ৩৮২০, আহমাদ ২৪৯৮০, আদ্ দা‘ওয়াতুল কাবীর ২১১, শু‘আবূল ঈমান ৬৫৯৬, য‘ঈফ আল জামি‘ ১১৬৮। কারণ এর সানাদে ‘আলী ইবনু যায়দ একজন দুর্বল রাবী।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৩৫৭-[৩৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একটি সুন্দর দোআ এসেছে। তিনি বলতেন, হে আল্লাহ! আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করো যারা ভালো কাজ করলে খুশি হয় এবং মন্দ কাজ করলে ক্ষমা চায়। এখানে মুমিনের দুইটি অবস্থা শেখানো হয়েছে। ভালো কাজ হলে তা নিয়ে অহংকার নয়, বরং সৎ আনন্দ ও আল্লাহর অনুগ্রহের অনুভূতি। আর মন্দ কাজ হয়ে গেলে জিদ বা অবহেলা নয়, বরং ইস্তিগফার। এই দোআ আমাদের চরিত্র গঠনে সাহায্য করে। মানুষ ভালো-মন্দ দুই অবস্থায়ই আল্লাহর দিকে মুখ করে। তাই তাওবাহ, ইস্তিগফার এবং ভালো আমলের আনন্দ—এসব বিষয় এই হাদিসে সহজভাবে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ভালো কাজ করলে খুশি হওয়া ভালো, তবে অহংকার করা নয়।
- মন্দ কাজ হলে দ্রুত আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
- নবী صلى الله عليه وسلم নিজে এই সুন্দর দোআ করতেন।
- মুমিনের জীবন ভালো আমল ও ইস্তিগফারের মাঝে চলতে থাকে।
