১১/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৫৩০-[২৬] - পূর্ববাসীদের মীকাত আল-আকীক
হজ্জ - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
পূর্ববাসীদের মীকাত আল-আকীক: ইহরামের স্থান
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৫৩০-[২৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৫৩০-[২৬]
وَعَنْهُ قَالَ: وَقَّتَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ لِأَهْلِ الْمَشْرِقِ الْعَقِيقَ. رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ وَأَبُو دَاوُدَ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পূর্বদিকের অধীবাসীদের (‘ইরাকীদের) জন্যে ‘আক্বীক্ব নামক স্থানকে (ইহরাম বাঁধার জন্য) মীকাত নির্ধারণ করেছেন। (তিরমিযী ও আবূ দাঊদ)[১]
[১] মুনকার : আবূ দাঊদ ১৭৪০, তিরমিযী ৮৩২, ইবনু আবী শায়বাহ্ ১৪০৬৯, আহমাদ ৩২০৫, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৮৯১৮, ইরওয়া ১০০২। কারণ এর সনদে ইয়াযীদ ইবনু আবী যিয়াদ একজন দুর্বল রাবী।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৫৩০-[২৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পূর্বদিকের অধিবাসীদের জন্য ‘আকীক’ নামক স্থানকে ইহরাম বাঁধার মীকাত নির্ধারণ করেছেন। মীকাত হলো সেই নির্দিষ্ট স্থান, যেখান থেকে হজ্জ বা উমরার জন্য ইহরাম শুরু করা হয়। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, হজ্জ-উমরার সফর শুধু গন্তব্যে পৌঁছানো নয়; তার শুরু করারও নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। পূর্বদিক থেকে আগতদের জন্য আল-আকীকের উল্লেখ সেই নিয়মের একটি অংশ। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে অন্য অঞ্চল বা সব মীকাতের বিস্তারিত এখানে যোগ না করাই ভালো। মূল কথা হলো—ইহরাম ও মীকাতের বিষয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দিষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জ-উমরার জন্য মীকাত নির্ধারিত স্থান।
- পূর্বদিকের অধিবাসীদের জন্য আল-আকীকের কথা এসেছে।
- ইহরাম শুরু করার আগে মীকাত জানা জরুরি।
- হাদিসটি মীকাতের নিয়মকে গুরুত্ব দেয়।
