১১/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৫৩১-[২৭] - ইরাকবাসীদের মীকাত যাতু ইরক
হজ্জ - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
ইরাকবাসীদের মীকাত যাতু ইরক: ইহরামের সীমা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৫৩১-[২৭]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৫৩১-[২৭]
وَعَنْ عَائِشَةَ أَنَّ رَسُوْلَ اللّٰهِ ﷺ وَقَّتَ لِأَهْلِ الْعِرَاقِ ذَاتَ عِرْقٍ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِىُّ
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ‘ইরাকবাসীদের জন্য ‘‘যাতু ‘ইরক্ব’’-কে মীকাত নির্ধারণ করেছেন। (আবূ দাঊদ ও নাসায়ী)[১]
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ১৭৩৯, ইরওয়া ৯৯৯।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৫৩১-[২৭]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা রাযিয়াল্লাহু আনহা থেকে এসেছে যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরাকবাসীদের জন্য যাতু ইরককে মীকাত নির্ধারণ করেছেন। মীকাতের বিষয়টি হজ্জ ও উমরার গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির অংশ। কেউ হজ্জ বা উমরার নিয়তে মক্কার দিকে গেলে নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করার আগে ইহরাম বাঁধার বিষয়টি জানতে হয়। এই বর্ণনায় নির্দিষ্ট করে ইরাকবাসীদের কথা বলা হয়েছে, তাই আলোচনাও সেই সীমার মধ্যে রাখা উচিত। হাদিসটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, হজ্জ-উমরায় স্থান, সময় ও নিয়ম—সবকিছুর সঙ্গে ইবাদতের সম্পর্ক আছে। ইহরাম শুরু করার জায়গা নবীজির নির্দেশ অনুযায়ী মানা দ্বীনি শৃঙ্খলার অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইরাকবাসীদের জন্য যাতু ইরক মীকাত হিসেবে এসেছে।
- মীকাত ইহরাম শুরু করার সীমা বোঝায়।
- হজ্জ-উমরার সফরে নিয়ম জানা প্রয়োজন।
- নির্দিষ্ট অঞ্চলের জন্য নির্দিষ্ট মীকাতের শিক্ষা আছে।
