১১/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৫৩২-[২৮] - মসজিদে আকসা থেকে ইহরামের ফজিলত
হজ্জ - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মসজিদে আকসা থেকে হজ্জ-উমরার ইহরামের ফজিলত
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৫৩২-[২৮]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৫৩২-[২৮]
وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ قَالَتْ: سَمِعْتُ رَسُوْلَ اللّٰهِ ﷺ يَقُولُ: مَنْ أَهَلَّ بِحَجَّةٍ أَوْ عُمْرَةٍ مِنَ الْمَسْجِدِ الْأَقْصٰى إِلَى الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ غُفِرَ لَه مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِه وَمَا تَأَخَّرَ أَوْ وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ
উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসুলুল্লাহ (ﷺ) - কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি মসজিদে আক্বসা থেকে মসজিদে হারামের দিকে হজ্জ বা ‘উমরার ইহরাম বাঁধবে তার পূর্বের ও পরের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। অথবা তিনি (ﷺ) বলেছেন, তার জন্যে জান্নাত অবধারিত হবে। (আবূ দাঊদ ও ইবনু মাজাহ)[১]
[১] য‘ঈফ : আবূ দাঊদ ১৭৪১, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৮৯২৬, য‘ঈফাহ্ ২১১, য‘ঈফ আল জামি‘ ৫৪৯৩। কারণ হাদীসটি মুয্ত্বরিব এবং এর সনদে হাকীমাহ্ একজন মাজহূল রাবী। ইমাম বুখারী (রহঃ)-ও হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৫৩২-[২৮]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উম্মু সালামা রাযিয়াল্লাহু আনহা বলেন, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন—যে ব্যক্তি মসজিদে আকসা থেকে মসজিদে হারামের দিকে হজ্জ বা উমরার ইহরাম বাঁধবে, তার পূর্বের ও পরের গুনাহ ক্ষমা করা হবে; অথবা বলা হয়েছে, তার জন্য জান্নাত অবধারিত হবে। অনুবাদেই “অথবা” শব্দ আছে, তাই ব্যাখ্যায়ও এই দ্বিধা সতর্কভাবে রাখতে হবে। এখানে মূল বিষয় হলো, মসজিদে আকসা থেকে হজ্জ বা উমরার ইহরাম শুরু করার বিশেষ মর্যাদা। তবে এই হাদিসকে সাধারণ সব ইহরামের ওপর একইভাবে প্রয়োগ করা উচিত নয়; কারণ বর্ণনায় নির্দিষ্টভাবে মসজিদে আকসা থেকে মসজিদে হারামের দিকে ইহরামের কথা এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মসজিদে আকসা থেকে ইহরামের বিশেষ ফজিলত এসেছে।
- বর্ণনায় হজ্জ অথবা উমরার কথা উল্লেখ আছে।
- অনুবাদে ‘অথবা’ থাকায় প্রতিদানের ভাষা সতর্কভাবে বলা দরকার।
- নির্দিষ্ট বর্ণনাকে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যেই বোঝা উচিত।
