১১/১১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৮১-[৪] - ইহরামে বিয়ে ও প্রস্তাবের বিধান
ইহরাম অবস্থায় যা থেকে বেঁচে থাকতে হবে - প্রথম অনুচ্ছেদ
ইহরাম অবস্থায় বিয়ে নিষেধ
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৬৮১-[৪]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৬৮১-[৪]
وَعَنْ عُثْمَانَ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: لَا يَنْكِحُ الْمُحْرِمُ وَلَا يُنكِحُ وَلَا يَخْطُبُ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
উসমান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ ইহরাম অবস্থায় বিয়ে করবে না, বিয়ে দেবে না এবং বিয়ের প্রস্তাবও দেবে না। (মুসলিম)[১]
[১] সহীহ : মুসলিম ১৪০৯, আবূ দাঊদ ১৮৪১, নাসায়ী ২৮৪২, মুয়াত্ত্বা মালিক ১২৬৮, আহমাদ ৪৯৬, সহীহ ইবনু খুযায়মাহ্ ২৬৪৯, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৯১৫১, সহীহ ইবনু হিব্বান ৪১২৩, ইরওয়া ১০৩৭, সহীহ আল জামি‘ ৭৮০৯।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৮১-[৪]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থার একটি স্পষ্ট সীমা জানিয়েছেন। মুহরিম ব্যক্তি নিজে বিয়ে করবে না, অন্য কাউকে বিয়ে দেবে না এবং বিয়ের প্রস্তাবও দেবে না। তাই হজ বা উমরার ইহরাম শুধু পোশাকের বিষয় নয়; এটি আচরণ, সিদ্ধান্ত ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের কিছু কাজ থেকেও বিরত থাকার নাম। এখানে মূল শিক্ষা হলো, ইহরাম অবস্থায় বিয়ে নিষেধ এবং বিয়ের দিকে নিয়ে যায় এমন প্রস্তাব থেকেও দূরে থাকতে হবে। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও হজের আদব বোঝার জন্য খুব পরিষ্কার। একজন মুসলিম যখন ইহরামে প্রবেশ করে, তখন সে আল্লাহর ইবাদতের বিশেষ অবস্থায় থাকে। সে অবস্থায় দুনিয়ার কিছু বৈধ কাজও সাময়িকভাবে এড়িয়ে চলতে হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরাম অবস্থায় নিজে বিয়ে করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
- মুহরিম ব্যক্তি অন্যের বিয়ে সম্পন্ন করানোর কাজেও যুক্ত হবে না।
- বিয়ের প্রস্তাবও ইহরামের আদবের সঙ্গে যায় না।
- ইহরাম অবস্থায় ইবাদতের মনোযোগ রক্ষা করা জরুরি।
