১১/১২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৭০০-[৫] - ইহরামে শিকারের গোশত খাওয়ার শর্ত
মুহরিম ব্যক্তির শিকার করা হতে বিরত থাকবে - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
ইহরামে শিকারের গোশত খাওয়ার শর্ত
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৭০০-[৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৭০০-[৫]
عَنْ جَابِرٍ أَنَّ رَسُوْلَ اللّٰهِ ﷺ قَالَ: «لَحْمُ الصَّيْدِ لَكُمْ فِى الْإِحْرَامِ حَلَالٌ مَا لَمْ تَصِيْدُوْهُ أَوْ يُصَادُ لَكُمْ». رَوَاهُ أَبُوْ دَاوُدَ وَالتِّرْمِذِىُّ وَالنَّسَائِىُّ
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ শিকারের গোশ্ত (গোসত/গোশত) ইহরাম অবস্থায়ও তোমাদের জন্য হালাল। যদি না তোমরা নিজেরা তা শিকার করো অথবা তোমাদের জন্য শিকার করা হয়ে থাকে। (আবূ দাঊদ, তিরমিযী ও নাসায়ী)[১]
[১] য‘ঈফ : আবূ দাঊদ ১৮৫১, নাসায়ী ২৮২৭, তিরমিযী ৮৪৬, আহমাদ ১৪৮৯৪, দারাকুত্বনী ২৭৪৪, মুসতাদরাক লিল হাকিম ১৬৫৯, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৯৯২১, সহীহ ইবনু হিব্বান ৩৯৭১, য‘ঈফ আল জামি‘ ৩৫২৪। কারণ জাবির (রাঃ) হতে মুত্ত্বালিব-এর শ্রবণটি প্রমাণিত নয়।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৭০০-[৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির রাঃ থেকে বর্ণিত হয়েছে যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, শিকারের গোশত ইহরাম অবস্থায়ও তোমাদের জন্য হালাল, যতক্ষণ না তোমরা নিজেরা তা শিকার করো অথবা তোমাদের জন্য তা শিকার করা হয়। হাদিসটির মূল শিক্ষা হলো ইহরামে শিকারের গোশত খাওয়ার শর্ত। এখানে সরাসরি দুটি সীমা দেওয়া হয়েছে: নিজে শিকার করা যাবে না এবং নিজের জন্য শিকার করানো যাবে না। এই শর্ত না থাকলে শিকারের গোশতের হালাল হওয়ার কথা এসেছে। তাই হাদিসটি আবূ কাতাদা রাঃ-এর ঘটনার মতো বর্ণনার সঙ্গে বিষয়গতভাবে মিলে যায়। তবে এই টেক্সটে শুধু শিকারের গোশত, নিজে শিকার করা এবং নিজের জন্য শিকার করানোর কথা আছে; অন্য বিস্তারিত শিকার বিধান এখানে নেই।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরামে শিকারের গোশত হালাল হতে পারে—শর্তসহ বলা হয়েছে।
- মুহরিম নিজে শিকার করলে তা এই বর্ণনার অনুমতির মধ্যে পড়ে না।
- মুহরিমের জন্য শিকার করা হলেও তা আলাদা করে নিষিদ্ধ সীমায় আসে।
- হাদিসে দেওয়া দুই শর্ত স্পষ্টভাবে মনে রাখা দরকার।
