২/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৭৩-[৭৬] - কার কাছ থেকে দ্বীন নিচ্ছেন
ইলম (বিদ্যা) - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
দ্বীনের ইলম কার কাছ থেকে নেবেন?
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৭৩-[৭৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৭৩-[৭৬]
وَعَنِ ابْنِ سِيرِينَ قَالَ إِنَّ هذَا الْعِلْمَ دِينٌ فَانْظُرُوا عَمَّنْ تَأْخُذُونَ دِينَكُمْ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
তাবি’ঈ ইবনু সীরীন (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
নিশ্চয়ই এ (সানাদের) ইলম হচ্ছে দ্বীন। অতএব তোমরা লক্ষ্য রাখবে যে, তোমাদের দ্বীন কার নিকট থেকে গ্রহণ করছো? [১]
[১] সহীহ : মুক্বদ্দামাহ্ মুসলিম।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৭৩-[৭৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় ইবনু সীরীন (রহঃ) বলেন, এই ইলমই দীন। তাই তোমরা দেখে নাও, তোমাদের দীন কার কাছ থেকে গ্রহণ করছ। কথাটি ছোট, কিন্তু দ্বীনি জ্ঞানের জন্য খুব বড় নীতি দেয়। দ্বীন শেখা সাধারণ কোনো তথ্য নেওয়ার মতো নয়। ভুল মানুষ, অযোগ্য শিক্ষক বা অনির্ভরযোগ্য উৎস থেকে দ্বীন নিলে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে। তাই সনদ, উৎস, শিক্ষক এবং কথার ভরসাযোগ্যতা দেখা দরকার। এখানে ‘সনদের গুরুত্ব’ ও ‘দ্বীনি ইলমের নিরাপত্তা’ স্পষ্ট। একজন মুসলিমের উচিত, কুরআন-সুন্নাহর কথা এমন মানুষের কাছ থেকে শেখা, যিনি ইলমের মর্যাদা বোঝেন এবং দায়িত্ব নিয়ে কথা বলেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দ্বীনের ইলম ভরসাযোগ্য উৎস থেকে নেওয়া উচিত।
- কার কাছ থেকে শেখা হচ্ছে, তা যাচাই করা জরুরি।
- ইলম শুধু তথ্য নয়; এটি দ্বীনের সঙ্গে জড়িত।
- অনির্ভরযোগ্য উৎস দ্বীনি বোঝাপড়ায় ক্ষতি করতে পারে।
