১২/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৭৬৮-[১০] - কুকুর ও বিড়াল বিক্রির মূল্য
উপার্জন করা এবং হালাল রুজি অবলম্বনের উপায় সন্ধান করা - প্রথম অনুচ্ছেদ
কুকুর ও বিড়াল বিক্রির মূল্য সম্পর্কে হাদিস
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৭৬৮-[১০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৭৬৮-[১০]
وَعَنْ جَابِرٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ ثَمَنِ الْكَلْبِ وَالسِّنَّوْرِ. رَوَاهُ مُسلم
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নিশ্চয় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কুকুর বিক্রির মূল্য ও বিড়াল বিক্রয়ের মূল্য (গ্রহণ করতে) নিষেধ করেছেন।
[১] সহীহ : মুসলিম ১৫৬৯, নাসায়ী ৪৬৬৮, আহমাদ ১৫১৪৮, ইবনু মাজাহ ২১৬১, সহীহাহ্ ২৯৭১। তবে আহমাদ ও ইবনু মাজাহ এর সানাদটি রাবী ইবনু লাহ্ইয়া থাকায় দুর্বল। আর নাসায়ী كلب صيد বর্ধিত অংশটিকে মুনকার বলেছেন।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৭৬৮-[১০]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم কুকুর বিক্রির মূল্য এবং বিড়াল বিক্রয়ের মূল্য গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। এখানে মূল আলোচ্য বিষয় হলো প্রাণী বিক্রয় সম্পর্কিত একটি নির্দিষ্ট লেনদেন। হাদিসটি আমাদের শেখায়, প্রতিটি বেচাকেনা শুধু বাজারের নিয়মে বিচার করা যায় না; শরিয়তের দিকও দেখতে হয়। কুকুর বিক্রির মূল্য নিয়ে আরও বর্ণনায় কঠোর ভাষা এসেছে, আর এই হাদিসে বিড়ালের মূল্য সম্পর্কেও নিষেধ এসেছে। তাই মুসলিম ব্যবসায়ী বা ক্রেতার উচিত কোনো লেনদেনের আগে তার বৈধতা যাচাই করা। বিশেষ করে যে বিষয়ে সরাসরি নিষেধ আছে, সেখানে সতর্কতা বেশি দরকার। হালাল লেনদেন মানুষের আয়কে পবিত্র রাখে এবং সন্দেহ থেকে বাঁচতে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুকুর বিক্রির মূল্য গ্রহণ থেকে নিষেধ এসেছে।
- বিড়াল বিক্রির মূল্য সম্পর্কেও এই হাদিসে নিষেধ আছে।
- প্রাণী সম্পর্কিত লেনদেনেও শরিয়তের সীমা দেখা দরকার।
- সন্দেহপূর্ণ বা নিষিদ্ধ লেনদেন থেকে দূরে থাকা নিরাপদ।
