১২/৬. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৮৮৭-[৫] - বন্ধকী জিনিসের মালিকানা কার

অগ্রিম বিক্রয় করা এবং বন্ধক রাখা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

বন্ধক রাখলে মালিকানা শেষ হয় না

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৮৮৭-[৫]

عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا يَغْلَقُ الرَّهْنُ الرَّهْنَ مِنْ صَاحِبِهِ الَّذِي رَهَنَهُ لَهُ غنمه وَعَلِيهِ غرمه». رَوَاهُ الشَّافِعِي مُرْسلا

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : বন্ধক রাখা তার মালিককে বন্ধকী জিনিস হতে স্বত্বহীন করে না। উক্ত জিনিসের আয়-ভোগ এবং এর ভরণ-পোষণ তারই ওপর বর্তাবে।

[১] য‘ঈফ : সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ১১২১০, মুসনাদুশ্ শাফি‘ঈ ৩/১৬৭-১৮৬। কারণ সানাদটি মুরসাল।

অনুবাদের উৎস

প্রকাশক:
হাদিস একাডেমী
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৮৮৭-[৫]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে বন্ধকী জিনিসের মালিকানা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলা হয়েছে। কোনো জিনিস বন্ধক রাখা মানে মালিক সেই জিনিসের স্বত্ব হারিয়ে ফেলে—এমন নয়। বন্ধক মূলত ঋণ বা দায়ের নিরাপত্তা। তাই বন্ধকী জিনিসের আয়-ভোগ এবং তার ক্ষতি বা খরচের দায় মালিকের সঙ্গেই যুক্ত থাকে। হাদিসের ভাষায় তার লাভ তারই, আর ক্ষতিও তার ওপর। এতে বোঝা যায়, বন্ধকগ্রহীতা শুধু নিরাপত্তা হিসেবে জিনিসটি ধরে রাখে; মালিকানা নিয়ে নেওয়া তার উদ্দেশ্য নয়। ইসলামে বন্ধকী লেনদেন ন্যায়ভিত্তিক হতে হবে, যাতে ঋণদাতা নিরাপত্তা পায় এবং মালিকের অধিকারও নষ্ট না হয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • বন্ধক রাখা মানে মালিকানা হারানো নয়।
  • বন্ধকী জিনিসের লাভ ও দায় মালিকের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
  • ঋণের নিরাপত্তা নিতে গিয়ে অন্যের স্বত্ব নষ্ট করা উচিত নয়।
  • বন্ধকী চুক্তিতে উভয় পক্ষের অধিকার স্পষ্ট থাকা দরকার।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন