১২/১০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯৪১-[৪] - লুণ্ঠন ও অঙ্গ বিকৃতি থেকে সতর্কতা
কারো সম্পদে অন্যায় হস্তক্ষেপ, ঋণ ও ক্ষতিপূরণ - প্রথম অনুচ্ছেদ
অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ ও লুণ্ঠনের নিষেধ
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৯৪১-[৪]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৯৪১-[৪]
وَعَن عبد الله بن يزِيد عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَنَّهُ نهى عَن النهبة والمثلة. رَوَاهُ البُخَارِيّ
‘আব্দুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করতে ও কারো নাক-কান কাটতে নিষেধ করছেন।
[১] সহীহ : বুখারী ২৪৭৪।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯৪১-[৪]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করা এবং কারো নাক-কান কেটে অঙ্গ বিকৃতি করা থেকে নিষেধ করেছেন। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, মানুষের সম্পদ ও শরীর—দুটিই সম্মানের বিষয়। অন্যের জিনিস জোর করে নেওয়া, সুযোগ পেয়ে লুট করা বা কারো প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করা ইসলামী চরিত্রের সাথে মেলে না। এখানে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ, লুণ্ঠন, জুলুম এবং অঙ্গ বিকৃতির মতো কাজকে একসাথে সতর্ক করা হয়েছে। তাই একজন মুসলিমের জন্য জরুরি হলো নিজের শক্তি, ক্ষমতা বা সুযোগকে অন্যের ক্ষতি করার পথে ব্যবহার না করা। কারো হক নষ্ট করা শুধু সামাজিক অপরাধ নয়, দ্বীনি দৃষ্টিতেও বড় সতর্কতার বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে নেওয়া থেকে বিরত থাকা জরুরি।
- মানুষের শরীর ও সম্মান নষ্ট করা গুরুতর অন্যায়।
- শক্তি বা সুযোগ পেলে জুলুম নয়, ন্যায় বজায় রাখতে হবে।
