১২/১০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯৪৪-[৭] - পতিত জমি আবাদ ও ন্যায্য অধিকার
কারো সম্পদে অন্যায় হস্তক্ষেপ, ঋণ ও ক্ষতিপূরণ - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
পতিত জমি আবাদ ও অন্যায় দখলের বিধান
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৯৪৪-[৭]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৯৪৪-[৭]
عَن سعيد بْنِ زَيْدٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ: «من أحيى أَرْضًا مَيْتَةً فَهِيَ لَهُ وَلَيْسَ لِعِرْقٍ ظَالِمٍ حق». رَوَاهُ أَحْمد وَالتِّرْمِذِيّ وَأَبُو دَاوُد
সা'ঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে নাবী (ﷺ) হতে বর্ণিতঃ
: যে ব্যক্তি পতিত ভূমি চাষাবাদের উপযোগী করে সেটা তার (হক)। অন্যায় দখলকারীর মেহনতের কোনো হক নেই।
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ৩০৭৩, তিরমিযী ১৩৭৮, আহমাদ ১৪৯০০, ইরওয়া ১৫২০।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯৪৪-[৭]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি পতিত ভূমিকে চাষাবাদের উপযোগী করে তোলে, তা তার হক। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, অন্যায় দখলকারীর মেহনতের কোনো হক নেই। এখানে ভূমি অধিকার, পরিশ্রম এবং ন্যায়—এই তিনটি বিষয় খুব পরিষ্কারভাবে এসেছে। শুধু পরিশ্রম করলেই অধিকার তৈরি হয় না, যদি কাজের ভিত্তি অন্যায় দখল হয়। আবার অনাবাদী বা পতিত জমিকে উপকারী কাজে লাগানো হলে তা অধিকার পাওয়ার কারণ হতে পারে। তাই এই হাদিস জমি নিয়ে লোভ, জোরজবরদস্তি ও অন্যায় দখল থেকে সতর্ক করে। ইসলামি দৃষ্টিতে জমি আবাদ করা ভালো কাজ, কিন্তু তা ন্যায্য পথে হতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পতিত জমি আবাদ করা উপকারী কাজ।
- অন্যায় দখলের ওপর শ্রম দিলেও তা ন্যায্য হক হয় না।
- জমির অধিকার ন্যায় ও বৈধতার ভিত্তিতে হতে হবে।
