১২/১০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯৪৫-[৮] - মুরসাল বর্ণনা ও হাদিস যাচাই
কারো সম্পদে অন্যায় হস্তক্ষেপ, ঋণ ও ক্ষতিপূরণ - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
হাদিস যাচাইয়ে সনদ ও মন্তব্যের গুরুত্ব
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৯৪৫-[৮]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৯৪৫-[৮]
وَرَوَاهُ مَالِكٌ عَنْ عُرْوَةَ مُرْسَلًا. وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ
হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) হতে মুরসালরূপে বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এটা হাসান গরীব।
[১] হাসান : মালিক ১৪৯৫।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯৪৫-[৮]-এর সারসংক্ষেপ
এই অংশে মূলত হাদিসের সনদ ও মান সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ নোট এসেছে। বলা হয়েছে, ইমাম মালিক রহঃ উরওয়াহ রহঃ থেকে হাদিসটি মুরসালরূপে বর্ণনা করেছেন। আবার ইমাম তিরমিযী রহঃ বলেছেন, এটি হাসান গরীব। এখানে নতুন কোনো আলাদা ঘটনা নেই; বরং বর্ণনার ধরন ও হাদিসের মান নিয়ে আলেমদের মন্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। এ ধরনের নোট পাঠককে বুঝতে সাহায্য করে যে, হাদিস শেখার সময় শুধু বাংলা অর্থ পড়াই যথেষ্ট নয়; বর্ণনা কীভাবে এসেছে, কার মাধ্যমে এসেছে এবং মুহাদ্দিসরা কী মন্তব্য করেছেন—এসবও গুরুত্বপূর্ণ। তাই হাদিস যাচাই ও সনদ সম্পর্কে সতর্ক থাকা জ্ঞানের আদবের অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিস বুঝতে সনদের ধরন জানা গুরুত্বপূর্ণ।
- মুহাদ্দিসদের মান নির্ধারণী মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে হয়।
- একই বিষয়ে বর্ণনার ভিন্ন ধরন থাকতে পারে।
