১২/১০. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯৫৫-[১৮] - ধারের জিনিস ফেরত দেওয়ার নিশ্চয়তা

কারো সম্পদে অন্যায় হস্তক্ষেপ, ঋণ ও ক্ষতিপূরণ - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

ধার নেওয়া জিনিসে ফেরতের নিশ্চয়তা

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৯৫৫-[১৮]

وَعَن أُميَّة بن صَفْوَان عَنْ أَبِيهِ: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْتَعَارَ مِنْهُ أَدْرَاعَهُ يَوْمَ حُنَيْنٍ فَقَالَ: أَغَصْبًا يَا مُحَمَّدَ؟ قَالَ: «بَلْ عَارِيَةً مَضْمُونَةً». رَوَاهُ أَبُو دَاوُد

উমাইয়্যাহ্ ইবনু সয়ান (রহঃ) তাঁর পিতা হতে বর্ণিতঃ

হুনায়ন যুদ্ধের দিনে নবী (ﷺ) তাঁর লৌহবর্মসমূহ ধারে নিলেন। তখন সাফওয়ান বললেন, হে মুহাম্মাদ! জোর জবরদস্তি করে নিলে? তিনি (ﷺ) বললেন, না; বরং ধারে নিলাম, ফেরত দেয়া হবে।

[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ৩৫৬২, আহমাদ ১৫৩০২, সহীহাহ্ ৬৩১।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯৫৫-[১৮]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে হুনায়ন যুদ্ধের দিনে নবী صلى الله عليه وسلم সাফওয়ান থেকে লৌহবর্ম ধার নেন। সাফওয়ান জিজ্ঞেস করেন, এটি কি জোর করে নেওয়া? নবী صلى الله عليه وسلم উত্তর দেন, না; বরং এটি ধারে নেওয়া, ফেরত দেওয়া হবে। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও অন্যের জিনিস জবরদস্তি নেওয়া নয়। ধার নেওয়া হলে তা স্পষ্টভাবে বলা, মালিকের মন পরিষ্কার করা এবং ফেরতের নিশ্চয়তা দেওয়া দরকার। এখানে আমানত, ধার, সম্মতি এবং দায়িত্বের সুন্দর উদাহরণ এসেছে। যুদ্ধের মতো জরুরি সময়েও মালিকের হককে অবহেলা করা হয়নি। তাই ব্যক্তিগত ও সামাজিক লেনদেনে ধারকে হালকা মনে করা ঠিক নয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ধার নেওয়ার সময় জোরজবরদস্তি করা যাবে না।
  • মালিকের কাছে বিষয়টি পরিষ্কার করা উচিত।
  • ধার নেওয়া জিনিস ফেরত দেওয়ার দায় থাকে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন