৩/১. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩০৪-[৫] - গোশত খেয়ে ওজু না করা

যে কারণে ওজু করা ওয়াজিব হয় - প্রথম অনুচ্ছেদ

اَلْوُضُوْءُ(واوবর্ণে যম্মাযোগে) শব্দের অর্থ উযূ করা আরواوবর্ণে ফাতাহ যোগেاَلْوَضُوْءُ -এর অর্থ উযূর পানি। অত্র অধ্যায়ে ঐ সমস্ত বিষয় বর্ণনা করা উদ্দেশ্য যা উযূ (ওযু/ওজু/অজু) বিনষ্ট করে ফেলে এবং অন্য একটি উযূ (নতুন উযূ) আবশ্যক হয়ে দাঁড়ায়।

বকরীর গোশত খেয়ে নতুন ওজু ছাড়াই সালাত

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩০৪-[৫]

قَالَ إنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ أَكَلَ كَتِفَ شَاةٍ ثُمَّ صَلّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বকরীর রানের (পাকানো) গোশ্‌ত খেয়ে সালাত আদায় করলেন কিন্তু ওযু করেননি। [১]

[১] সহীহ : বুখারী ২০৭, মুসলিম ৩৫৪।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩০৪-[৫]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বকরীর রানের পাকানো গোশত খেলেন। এরপর তিনি সালাত আদায় করলেন, কিন্তু নতুন করে ওজু করলেন না। এই বর্ণনা খাবার খাওয়ার পর ওজুর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আগুনে পাকানো খাবার খেলে ওজু করতে হবে—এমন বর্ণনার পাশে এই হাদিস দেখায় যে বকরীর গোশত খাওয়ার পর নতুন ওজু করা হয়নি। তাই এখানে মূল শিক্ষা হলো, সব রান্না করা খাবার খাওয়ার পর নতুন ওজু করা আলাদা করে বাধ্যতামূলক বলা হয়নি। হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু সালাত, খাবার এবং ওজুর সম্পর্ক বুঝতে এটি পরিষ্কার দিক দেখায়। তবে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে উটের গোশতের আলাদা হুকুমের সঙ্গে এটিকে মিশিয়ে ফেলা ঠিক নয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • বকরীর গোশত খাওয়ার পর রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم নতুন ওজু করেননি।
  • খাবার খাওয়ার পর ওজুর হুকুম বুঝতে হাদিসের নির্দিষ্ট ভাষা খেয়াল করতে হয়।
  • সালাতের আগে ওজু থাকা জরুরি, তবে সব খাবারের কারণে নতুন ওজু লাগে না।
  • একই বিষয়ে ছোট হাদিসও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন