১৩/২. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩১৩৬-[১১] - কুমারীর অসম্মতিতে বিয়ের অধিকার

বিয়ের ওয়ালি (অভিভাবক) এবং নারীর অনুমতি গ্রহণ প্রসঙ্গে - তৃতীয় অনুচ্ছেদ

কুমারীর অসম্মতিতে বিয়ে: সিদ্ধান্তের অধিকার

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩১৩৬-[১১]

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: إِنَّ جَارِيَةً بِكْرًا أَتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذكرت أَن أَبَاهَا زَوجهَا وَهِي كَارِهًا فَخَيَّرَهَا النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

এক কুমারী মেয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট অভিযোগ করে বলল, তার অসম্মতিতে পিতা তাকে বিয়ে দিয়েছে। এটা শুনে তিনি (ﷺ) তাকে (স্বামীর সংসারে থাকা বা না থাকার ইচ্ছার) অধিকার প্রদান করলেন।

[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ২০৯৬, ইবনু মাজাহ ১৮৭৫, আহমাদ ২৪৬৯।

অনুবাদের উৎস

প্রকাশক:
হাদিস একাডেমী
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩১৩৬-[১১]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে এক কুমারী মেয়ের ঘটনা এসেছে। সে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর কাছে অভিযোগ করল যে, তার পিতা তাকে তার অসম্মতিতে বিয়ে দিয়েছেন। কথা শুনে নবী صلى الله عليه وسلم তাকে ইচ্ছার অধিকার দিলেন—সে চাইলে স্বামীর সংসারে থাকবে, না চাইলে থাকবে না। এই হাদিস বিয়েতে মেয়ের সম্মতির গুরুত্ব খুব পরিষ্কারভাবে তুলে ধরে। পিতা অভিভাবক হলেও মেয়ের অস্বস্তি বা আপত্তিকে উপেক্ষা করা হয়নি। নবী صلى الله عليه وسلم অভিযোগ শুনেছেন এবং তাকে সিদ্ধান্তের সুযোগ দিয়েছেন। এতে বোঝা যায়, বিয়ে চাপিয়ে দেওয়ার বিষয় নয়; পাত্রীর ইচ্ছা ও স্বস্তির জায়গা আছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কুমারী মেয়ের বিয়েতেও তার সম্মতি গুরুত্বপূর্ণ।
  • অভিভাবক হলেও পাত্রীর আপত্তি উপেক্ষা করা উচিত নয়।
  • অভিযোগ শুনে ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত দেওয়া দরকার।
  • বিয়েতে থাকার বা না থাকার বিষয়ে পাত্রীর অধিকার বিবেচনায় আসতে পারে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন