১৩/৭. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩২০৮-[৫] - উম্মু হাবীবাহর মুহর
মুহর - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
উম্মু হাবীবাহর বিবাহ ও নাজাশীর দেওয়া মুহর
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩২০৮-[৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩২০৮-[৫]
عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ: أَنَّهَا كَانَتْ تَحْتَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَحْشٍ فَمَاتَ بِأَرْضِ الْحَبَشَةِ فَزَوَّجَهَا النَّجَاشِيُّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَمْهَرَهَا عَنهُ أَرْبَعَة آلَاف. وَفِي رِوَايَة: أَرْبَعَة دِرْهَمٍ وَبَعَثَ بِهَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَعَ شُرَحْبِيل بن حَسَنَة.رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ
উম্মু হাবীবাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি ‘আব্দুল্লাহ ইবনু জাশ-এর (বিবাহিতা) স্ত্রী ছিলেন। তাঁর স্বামী ‘আব্দুল্লাহ ইবনু জাশ হাবশায় (পূর্ব নাম আবিসিনিয়া, বর্তমানে ইথিওপিয়া) মৃত্যুবরণ করেন। অতঃপর হাবশার সম্রাট নাজাশী নবী (ﷺ)-এর সাথে উম্মু হাবীবাহ্ (রাঃ)-কে বিবাহ দেন এবং তাঁর পক্ষ হতে চার হাজার দিরহাম মোহর হিসেবে দান করেন। অপর বর্ণনায় আছে, চার দিরহাম (মোহর দিয়েছেন), অতঃপর শুরাবীল ইবনু হাসানাহ্-এর সাথে উম্মু হাবীবাহ্ (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর খিদমাতে পাঠিয়ে দেন।
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ২১০৭, নাসায়ী ৩৩৫০, আহমাদ ২৭৪০৮।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩২০৮-[৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উম্মু হাবীবাহ্ রাঃ-এর বিবাহের ঘটনা এসেছে। তিনি আগে আবদুল্লাহ ইবনু জাহশের স্ত্রী ছিলেন। তাঁর স্বামী হাবশায় মৃত্যুবরণ করলে হাবশার সম্রাট নাজাশী তাঁকে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে বিবাহ দেন। বর্ণনায় এসেছে, নাজাশী নবী صلى الله عليه وسلم-এর পক্ষ থেকে চার হাজার দিরহাম মুহর দেন। অপর বর্ণনায় চার দিরহামের কথাও এসেছে। এরপর তিনি শুরাবীল ইবনু হাসানাহ্-এর সঙ্গে উম্মু হাবীবাহ্ রাঃ-কে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর খিদমতে পাঠিয়ে দেন। এই হাদিসের মূল আলোচ্য বিষয় হলো বিবাহ, মুহর এবং প্রতিনিধির মাধ্যমে বিবাহ সম্পাদনের ঘটনা। এখানে মুহরের উল্লেখ বিবাহ চুক্তির গুরুত্বকে স্পষ্ট করে। একই সঙ্গে উম্মু হাবীবাহ্ রাঃ-এর অবস্থার পরিবর্তনও বর্ণনায় ধরা পড়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিবাহে মুহর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- প্রয়োজনে প্রতিনিধির মাধ্যমে বিবাহ সম্পাদনের ঘটনা বর্ণনায় এসেছে।
- স্বামীর মৃত্যুর পর নতুন বিবাহের ঘটনা শরয়ীভাবে ঘটেছে।
- বিবাহের ক্ষেত্রে দায়িত্ব নিয়ে ব্যবস্থা করা প্রশংসনীয়।
