১৩/৮. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩২১১-[২] - যায়নাব রাঃ-এর ওয়ালীমাহ্
ওয়ালিমা (বৌভাত) - প্রথম অনুচ্ছেদ
যায়নাব রাঃ-এর বিয়েতে ওয়ালীমাহর আয়োজন
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩২১১-[২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩২১১-[২]
وَعَنْهُ قَالَ: مَا أَوْلَمَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى أَحَدٍ مِنْ نِسَائِهِ مَا أولم على زَيْنَب أولم بِشَاة
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যায়নাব বিনতু জা (রাঃ)-এর বিয়েতে যত বড় আয়োজনে ওয়ালীমাহ্ করেন, আর অন্য কোনো স্ত্রীর বিয়েতে তা করেননি। এতে তিনি (ﷺ) এক বকরী দ্বারা ওয়ালীমাহ্ করেছেন।
[১] সহীহ : বুখারী ৫১৬৮, মুসলিম ১৪২৮, ইবনু মাজাহ ১৯০৮, আবূ দাঊদ ৩৭৪৩, ইরওয়া ১৯৪৫।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩২১১-[২]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আনাস রাঃ জানান, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে যায়নাব বিনতু জাহশ রাঃ-এর বিয়েতে যত বড় ওয়ালীমাহ্ করেছিলেন, অন্য কোনো স্ত্রীর বিয়েতে তেমন করেননি। সেই ওয়ালীমাহ্ ছিল এক বকরী দিয়ে। এখানে নবী صلى الله عليه وسلم-এর বিবাহ-পরবর্তী আয়োজনের একটি স্পষ্ট উদাহরণ পাওয়া যায়। হাদিসটি দেখায়, ওয়ালীমাহ্ বিয়ের আনন্দ প্রকাশের একটি স্বীকৃত আমল। তবে এখানে বড় আয়োজন বলতে অযথা বিলাসিতা বোঝানো হয়নি; বরং নবী صلى الله عليه وسلم-এর সামর্থ্য ও পরিস্থিতি অনুযায়ী এক বকরীর আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। তাই এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, ওয়ালীমাহ্ করা ভালো, কিন্তু তা সামর্থ্যের বাইরে নিয়ে যাওয়া উদ্দেশ্য নয়। বিয়েতে আনন্দ থাকবে, কিন্তু সহজতা ও পরিমিতি বজায় থাকবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিয়ের পর ওয়ালীমাহ্ করার নববী উদাহরণ আছে।
- ওয়ালীমাহ্ সামর্থ্য অনুযায়ী হতে পারে।
- বিবাহের আনন্দ প্রকাশ করা বৈধ।
- বড় আয়োজন মানেই অপচয় নয়; পরিমিতি জরুরি।
