১৩/১৭. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৩৫২-[১১] - বিনা দোষে দাসকে মারার কাফ্ফারাহ

স্ত্রীর খোরপোষ ও দাস-দাসীর অধিকার - প্রথম অনুচ্ছেদ

বিনা দোষে প্রহার: দাস মুক্ত করাই কাফ্ফারাহ

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৩৫২-[১১]

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ ضَرَبَ غُلَامًا لَهُ حَدًّا لَمْ يَأْتِهِ أَوْ لَطَمَهُ فَإِن كَفَّارَته أَن يعتقهُ». رَوَاهُ مُسلم

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি স্বীয় দাসের ওপর বিনা দোষে ‘হাদ্দ' (শাস্তি) প্রয়োগ করে অথবা থাপ্পড় মারে, তবে তার কাফ্‌ফারাহ্ হলো তাকে মুক্ত করা।

[১] সহীহ : মুসলিম ১৬৫৭, আহমাদ ৫০৫১, সহীহ আল জামি‘ ৬৩৭৫, সহীহ আত্ তারগীব ২২৭৮।

অনুবাদের উৎস

প্রকাশক:
হাদিস একাডেমী
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৩৫২-[১১]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজের দাসকে এমন হাদ্দ বা শাস্তি দেয় যা সে প্রাপ্য ছিল না, অথবা তাকে থাপ্পড় মারে, তার কাফ্ফারাহ হলো তাকে মুক্ত করা। এখানে অধীনস্থের প্রতি অন্যায় শাস্তির কঠোরতা বোঝানো হয়েছে। দাসের ওপর মালিকের ক্ষমতা থাকলেও তা সীমাহীন নয়। বিনা দোষে মারধর করা বা শাস্তি দেওয়া ইসলামে হালকা বিষয় নয়। হাদিসে এর প্রতিকার হিসেবে দাসমুক্তির কথা এসেছে। এই বর্ণনা দাস-দাসীর অধিকার, শারীরিক নিরাপত্তা এবং ক্ষমতার সীমা শেখায়। যারা অধীনস্থের ওপর কর্তৃত্ব রাখে, তাদের জন্য এটি বড় সতর্কতা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • বিনা দোষে দাসকে শাস্তি দেওয়া অন্যায়।
  • থাপ্পড় মারার বিষয়ও হাদিসে গুরুত্বের সাথে এসেছে।
  • এ অন্যায়ের কাফ্ফারাহ হিসেবে দাস মুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।
  • অধীনস্থের ওপর ক্ষমতা সীমাহীন নয়।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন