১৫/০. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৪১৩-[৮] - কসমের চেয়ে উত্তম কাজ বেছে নেওয়া

কসম ও মানত - প্রথম অনুচ্ছেদ

কসমের কাফফারা দিয়ে উত্তম কাজ করা

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৪১৩-[৮]

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ حَلَفَ عَلَى يَمِينٍ فَرَأَى خَيْرًا مِنْهَا فَلْيُكَفِّرْ عَنْ يَمِينِهِ وليفعل». رَوَاهُ مُسلم

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : কোনো ব্যক্তি যদি কোনো কসম করে এবং পরে তার ব্যতিক্রম করা উত্তম বলে মনে করে, তখন তার কসমের কাফ্‌ফারাহ্ আদায় করা উচিত এবং সেই (উত্তম) কাজটি করা।

[১] সহীহ : মুসলিম ১৬৫০, তিরমিযী ১৫৩০, আহমাদ ৮৭৩৪, সহীহ ইবনু হিব্বান ৪৩৪৯।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৪১৩-[৮]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে কসমের কাফফারার বিষয়টি খুব সহজ ভাষায় এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, কোনো ব্যক্তি যদি কোনো কসম করে, তারপর দেখে যে তার বিপরীত কাজটি ভালো, তাহলে সে যেন কসমের কাফফারা আদায় করে এবং সেই কাজটি করে। এখানে কসম ভাঙাকে হালকা করা হয়নি; বরং কাফফারার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে ভালো কাজের দিকে যাওয়ার নির্দেশ এসেছে। অনেক সময় মানুষ রাগ, তাড়াহুড়া বা আবেগে কসম করে বসে। পরে বুঝতে পারে, অন্য সিদ্ধান্তটি ভালো। তখন কসমকে জেদ বানিয়ে রাখা ঠিক নয়। এই হাদিস কসমের বিধান, কাফফারা এবং উত্তম কাজ বেছে নেওয়ার পরিষ্কার শিক্ষা দেয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কসমের পর ভালো পথ স্পষ্ট হলে কাফফারা দিয়ে সেই পথে যাওয়া উচিত।
  • আবেগের কসমকে জেদে পরিণত করা ঠিক নয়।
  • কাফফারা আদায় কসমের দায়িত্বকে গুরুত্ব দেয়।
  • ইসলামে উত্তম কাজ বেছে নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন