১৫/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৪১৬-[১১] - কসমে দাবিকারীর নিয়ত
কসম ও মানত - প্রথম অনুচ্ছেদ
কসমের গ্রহণযোগ্যতা ও নিয়তের গুরুত্ব
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৪১৬-[১১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৪১৬-[১১]
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْيَمِينُ عَلَى نِيَّةِ الْمُسْتَحْلِفِ». رَوَاهُ مُسلم
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : কসমকারীর গ্রহণযোগ্যতা কসম প্রদানকারীর নিয়্যাতের উপর নির্ভর করে।
[১] সহীহ : মুসলিম ১৬৫৩, ইবনু মাজাহ ২১২০, সহীহ আল জামি‘ ৮১৯৯।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৪১৬-[১১]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কসমের সঙ্গে নিয়তের সম্পর্ক এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, কসমকারীর গ্রহণযোগ্যতা কসম প্রদানকারীর নিয়তের ওপর নির্ভর করে। এখানে বিষয়টি বিশেষভাবে এমন অবস্থার দিকে ইঙ্গিত করে, যেখানে একজনের কাছে কসম চাওয়া হয় এবং সেই কসম অন্যের অধিকার বা দাবির সঙ্গে যুক্ত থাকে। এমন ক্ষেত্রে নিজের মনে ভিন্ন অর্থ রেখে কথার বাইরে অন্য মানে নেওয়া সঠিক পথ নয়। কসমের বিধান শুধু উচ্চারিত শব্দ নয়; নিয়ত, সত্যতা এবং যার জন্য কসম করা হচ্ছে তার বোঝাও গুরুত্বপূর্ণ। এই হাদিস কসমে প্রতারণা থেকে সতর্ক করে এবং মানুষের সামনে সত্য ভাষায় কথা বলার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কসমের ক্ষেত্রে নিয়ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
- অন্যের দাবির সময় কসমে শব্দের চালাকি করা উচিত নয়।
- সত্য কথা বলার দায়িত্ব কসমকে আরও গুরুতর করে।
- কসম মানুষের অধিকার রক্ষার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।
