১৫/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৪২০-[১৫] - আমানতের নামে কসমের নিষেধ
কসম ও মানত - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
আমানতের নামে কসম করার কঠিন সতর্কতা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৪২০-[১৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৪২০-[১৫]
وَعَنْ بُرَيْدَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ حَلَفَ بِالْأَمَانَةِ فَلَيْسَ منا». رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
বুরাইদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যে ব্যক্তি ‘আমানত’ শব্দের দ্বারা কসম করল, সে আমাদের দলের অন্তর্ভুক্ত নয়।
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ৩২৫৩, আহমাদ ২২৯৮০, সহীহাহ্ ৯৪, সহীহ আল জামি‘ ৬২০৩, সহীহ আত্ তারগীব ২৯৫৪।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৪২০-[১৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আমানত শব্দ দিয়ে কসম করার ব্যাপারে কঠোর সতর্কতা এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি আমানতের দ্বারা কসম করল, সে আমাদের দলের অন্তর্ভুক্ত নয়। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত হলেও সতর্কতা খুব গুরুতর। আমানত ইসলামে সম্মানিত বিষয়, কিন্তু সেটিকে কসমের ভিত্তি বানানো ঠিক নয়। কসমের জায়গা আল্লাহর নামের সঙ্গে যুক্ত, সৃষ্ট কোনো গুণ বা জিনিসের সঙ্গে নয়। তাই আমানতের কসম, সম্মানের কসম, বংশের কসম বা মানুষের কসম—এসব অভ্যাস পরিহার করা দরকার। এই বর্ণনা কসমের বিধান, আল্লাহর নামের মর্যাদা এবং মুখের কথায় শুদ্ধতা বজায় রাখার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আমানতের নামে কসম করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
- সম্মানিত বিষয় হলেও সেটিকে কসমের ভিত্তি বানানো যায় না।
- কসম আল্লাহর নামের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়া উচিত।
- মুখের প্রচলিত ভুল অভ্যাস সংশোধন করা জরুরি।
