১৬/২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৫১২-[৩] - সম্পদ রক্ষায় নিহত ব্যক্তি শহীদ
যে সব অপরাধের ক্ষতিপূরণ (জরিমানা) নেই - প্রথম অনুচ্ছেদ
ধন-সম্পদ রক্ষায় নিহত ব্যক্তি শহীদ
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৫১২-[৩]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৫১২-[৩]
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ قُتِلَ دُونَ مَالِهِ فَهُوَ شهيدٌ»
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যে লোক তার ধন-সম্পদ রক্ষার্থে নিহত হয়, সে শহীদ।
[১] সহীহ : বুখারী ২৪৮০, মুসলিম ১৪০, নাসায়ী ৪০৮৬, তিরমিযী ১৪১৯, সহীহ আল জামি‘ ৬৪৪৪, সহীহ আত্ তারগীব ১৪১২।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৫১২-[৩]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নিজের ধন-সম্পদ রক্ষার মর্যাদা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর কথা এসেছে। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে বলতে শুনেছেন—যে লোক তার ধন-সম্পদ রক্ষার্থে নিহত হয়, সে শহীদ। এখানে মূল আলোচনা নিজের সম্পদ রক্ষা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এবং নিহত হলে শহীদের মর্যাদা। হাদিসটি কোনো লোভ বা ঝগড়াকে উৎসাহ দেয় না; বরং বৈধ সম্পদ অন্যায়ভাবে কেড়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধের মর্যাদা বোঝায়। একই বিষয়ে আরেক বর্ণনায় প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে আরও বিস্তারিত এসেছে। তাই এই হাদিস সম্পদ রক্ষা ও আত্মরক্ষার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নিজের ধন-সম্পদ রক্ষা করা বৈধ অধিকার হিসেবে স্বীকৃত।
- সম্পদ রক্ষায় নিহত হলে শহীদের মর্যাদার কথা এসেছে।
- অন্যায়ভাবে সম্পদ কেড়ে নেওয়ার সামনে নীরব থাকার কথা বলা হয়নি।
- সম্পদ রক্ষার বিষয়টি হাদিসে সম্মানের সঙ্গে উল্লেখ হয়েছে।
