১৬/২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৫১৪-[৫] - অনুমতি ছাড়া ঘরে উঁকি দেওয়া
যে সব অপরাধের ক্ষতিপূরণ (জরিমানা) নেই - প্রথম অনুচ্ছেদ
অনুমতি ছাড়া ঘরে উঁকি দেওয়ার হাদিস
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৫১৪-[৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৫১৪-[৫]
وَعَنْهُ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «لَوِ اطَّلَعَ فِي بَيْتِكَ أحدٌ ولمْ تَأذن لَهُ فخذفته بحصاة ففتأت عَيْنَهُ مَا كَانَ عَلَيْكَ مِنْ جُنَاحٍ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি- কোনো ব্যক্তি যদি অনুমতি ব্যতীত তোমার ঘরে উঁকি মারে যাকে তুমি অনুমতি দাওনি আর তুমি যদি তাকে কোনো কঙ্কর নিক্ষেপ করে তার চক্ষু ফুঁড়ে দাও, এতে তোমার কোনো অপরাধ নেই।
[১] সহীহ : বুখারী ৬৮৮৮, মুসলিম ২১৫৮, আহমাদ ৭৩১৩।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৫১৪-[৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ঘরের গোপনীয়তা ও অনুমতির গুরুত্ব খুব স্পষ্টভাবে এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, কেউ যদি অনুমতি ছাড়া তোমার ঘরে উঁকি মারে, আর তুমি তাকে অনুমতি না দিয়ে থাকো, তারপর তুমি কঙ্কর নিক্ষেপ করলে তার চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়—তোমার ওপর কোনো অপরাধ নেই। এখানে মূল বিষয় হলো অন্যের ব্যক্তিগত ঘরে চুপিচুপি তাকানো গুরুতর ভুল। ঘরে প্রবেশের আগে অনুমতি নেওয়ার নিয়ম শুধু দরজার জন্য নয়; চোখের অনধিকার প্রবেশ ঠেকানোর জন্যও। এই হাদিস গোপনীয়তা, শালীনতা এবং অন্যের ব্যক্তিগত জীবনের সম্মান শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অনুমতি ছাড়া কারও ঘরে উঁকি দেওয়া গুরুতর অন্যায়।
- ঘরের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার স্বীকৃত হয়েছে।
- অনধিকার দৃষ্টি ঠেকাতে গৃহবাসীর ওপর অপরাধ ধরা হয়নি।
- অনুমতি নেওয়ার বিধান চোখের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার সঙ্গে যুক্ত।
