১৬/১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৫০২-[১৭] - চোখের আঘাতে রক্তপণের বিধান
দিয়াত (রক্তপণ) - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
চোখের আঘাতে দিয়াতের হাদিস
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৫০২-[১৭]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৫০২-[১৭]
وَعَنْهُ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ: قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْعَيْنِ الْقَائِمَةِ السَّادَّةِ لِمَكَانِهَا بِثُلْثِ الدِّيَةِ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ
উক্ত রাবী ('আমর ইবনু শু'আয়ব (রহঃ) তাঁর পিতার মাধ্যমে তাঁর দাদা হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : কারও চোখ আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ক্ষত হলে এবং চোখ যথাস্থানে বহাল থাকলে, এজন্য পূর্ণ রক্তপণের এক-তৃতীয়াংশ আদায় করতে হবে।
[১] হাসান : আবূ দাঊদ ৪৫৬৭, নাসায়ী ৪৮৪০, ইরওয়া ২২৯৩।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৫০২-[১৭]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে চোখের ক্ষত বা আঘাতের রক্তপণ নিয়ে একটি নির্দিষ্ট বিধান এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم এমন চোখের ব্যাপারে ফয়সালা করেছেন, যা আঘাতপ্রাপ্ত হলেও নিজ স্থানে বহাল থাকে। অর্থাৎ চোখ পুরোপুরি উপড়ে যায়নি, তবে ক্ষত হয়েছে এবং ক্ষতির মূল্য আছে। এ অবস্থায় পূর্ণ রক্তপণের এক-তৃতীয়াংশ আদায়ের কথা বলা হয়েছে। হাদিসটি দেখায় যে, ইসলামে শরীরের অঙ্গের ক্ষতি শুধু সাধারণ ঝগড়ার বিষয় নয়; এর বিচার আছে। চোখ মানুষের বড় নিয়ামত। তাই চোখের আঘাতের দিয়াত নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে মূল আলোচনা চোখের ক্ষতিপূরণ, রক্তপণ এবং ন্যায়ভিত্তিক ফয়সালা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চোখে গুরুতর আঘাত হলে তার ক্ষতিপূরণের বিধান আছে।
- অঙ্গের ক্ষতি ইসলামী বিচারে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়।
- চোখ নিজ স্থানে থাকলেও ক্ষতের কারণে রক্তপণ নির্ধারিত হতে পারে।
- ক্ষতির পরিমাণ অনুযায়ী বিচার ও ক্ষতিপূরণ আলাদা হতে পারে।
