১৬/১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৫০৫-[২০] - দরিদ্রতার কারণে ক্ষতিপূরণে ছাড়
দিয়াত (রক্তপণ) - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
কান কাটার ঘটনায় ক্ষতিপূরণ ও দরিদ্রতা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৫০৫-[২০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৫০৫-[২০]
وَعَن عِمْران بن حُصَينٍ: أَنَّ غُلَامًا لِأُنَاسٍ فُقَرَاءَ قَطَعَ أُذُنَ غُلَامٍ لِأُنَاسٍ أَغْنِيَاءَ فَأَتَى أَهْلُهُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالُوا: إِنَّا أُنَاسٌ فُقَرَاءُ فَلَمْ يَجْعَلْ عَلَيْهِمْ شَيْئًا. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيُّ
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
দরিদ্র গোষ্ঠীর এক বালক ধনী গোষ্ঠীর এক বালকের কান কেটে ফেলে। অতঃপর কান কর্তনকারী বালকটির অভিভাবকগণ নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে বলল, আমরা গরীব ও দুস্থ লোক; তাই তিনি তাদের ওপর কোনো কিছু ধার্য করেননি।
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ৪৫৯০, নাসায়ী ৪৭৫১, আহমাদ ১৯৯৩১।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৫০৫-[২০]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এক বালকের কান কাটার ঘটনা এসেছে। দরিদ্র গোষ্ঠীর এক বালক ধনী গোষ্ঠীর এক বালকের কান কেটে ফেলে। পরে কান কর্তনকারী বালকের অভিভাবকরা নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাছে এসে নিজেদের গরিব ও দুস্থ অবস্থা জানায়। তখন তিনি তাদের ওপর কোনো কিছু ধার্য করেননি। এই হাদিসে ক্ষতিপূরণের আলোচনার সঙ্গে মানুষের বাস্তব অবস্থার দিকটিও দেখা যায়। এখানে বালক, অভিভাবক, দরিদ্রতা এবং ক্ষতিপূরণের বিষয় একসঙ্গে এসেছে। হাদিসটি থেকে বোঝা যায়, বিচার শুধু ঘটনার ওপর নয়; সংশ্লিষ্ট মানুষের সামর্থ্য ও অবস্থাও বিবেচনায় আসতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ক্ষতির ঘটনায় বিচার হলেও মানুষের বাস্তব অবস্থা বিবেচনায় আসতে পারে।
- দরিদ্রতা ও অসহায়তা জানানো হলে তা সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।
- অঙ্গহানির ঘটনা গুরুতর, তবে ফয়সালায় সামর্থ্যের বিষয়ও দেখা হয়েছে।
- অভিভাবকেরা বালকের কাজের বিষয়ে নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাছে বিষয়টি পেশ করেছিলেন।
