১৭/৭. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৫৮৫-[৩১] - নিষিদ্ধ যৌন আচরণের ভয়াবহতা

দণ্ডবিধি - তৃতীয় অনুচ্ছেদ

নিষিদ্ধ যৌন আচরণ থেকে কঠোর সতর্কতা

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৫৮৫-[৩১]

وَعَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا يَنْظُرُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ إِلَى رَجُلٍ أَتَى رَجُلًا أَوِ امْرَأَةً فِي دُبُرِهَا». رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : আল্লাহ তা'আলা ঐ ব্যক্তির প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না, যে কোনো পুরুষ বা নারীর গুহ্যদ্বারে সঙ্গম করে।

[১] হাসান : তিরমিযী ১১৬৫, ইবনু আবী শায়বাহ্ ১৬৮০৩, সহীহ আত্ তারগীব ২৪২৪, সহীহ আল জামি‘ ৭৮০১।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৫৮৫-[৩১]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) এমন এক নিষিদ্ধ যৌন আচরণ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন, যেখানে কোনো পুরুষ বা নারীর গুহ্যদারে সঙ্গমের কথা বলা হয়েছে। হাদিসের ভাষা খুব কঠোর—আল্লাহ তা'আলা এমন ব্যক্তির প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, ইসলামে যৌন জীবনও আল্লাহর সীমার মধ্যে থাকতে হয়। শুধু সম্পর্ক বৈধ হলেই সব আচরণ বৈধ হয়ে যায় না; বৈধ সম্পর্কের মধ্যেও কিছু নিষিদ্ধ সীমা আছে। এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, শরীরের চাহিদা যেন আল্লাহর নির্দেশের বাইরে না যায়। দাম্পত্য জীবনেও লজ্জা, পবিত্রতা এবং বিধান মানা জরুরি। তাই নিষিদ্ধ যৌন আচরণ, হারাম সম্পর্ক এবং সীমালঙ্ঘন থেকে দূরে থাকা একজন মুমিনের চরিত্র রক্ষার অংশ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • যৌন আচরণের ক্ষেত্রেও আল্লাহর নির্ধারিত সীমা মানতে হবে।
  • বৈধ সম্পর্কের মধ্যেও নিষিদ্ধ পন্থা থেকে দূরে থাকা জরুরি।
  • আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চনার সতর্কতা বিষয়টির গুরুতরতা বুঝায়।
  • লজ্জা ও পবিত্রতা মুমিনের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন