১৭/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৬০৪-[১৫] - দণ্ডের পর ক্ষত দাগানোর নির্দেশ
চোরের হাত কাটা প্রসঙ্গ - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
চুরির দণ্ডের পর ক্ষত সামলানোর শিক্ষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৬০৪-[১৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৬০৪-[১৫]
وَرُوِيَ فِي شَرْحِ السُّنَّةِ فِي قَطْعِ السَّارِقِ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اقْطَعُوهُ ثمَّ احسموه»
আর ইমাম বাগাবী (রহঃ) শারহুস্ সুন্নাহ্-তে ‘চোরের হাত কাটা প্রসঙ্গে' নাবী (ﷺ) হতে বর্ণিতঃ
“তার হাত কেটে দাও এবং গরম তেল দিয়ে তা দাগিয়ে দাও।'
[১] হাসান : শারহুস্ সুন্নাহ্ ২৬০২, মুসতাদরাক লিল হাকিম ৮১৫০।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৬০৪-[১৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত। এতে বর্ণিত হয়েছে, চোরের হাত কাটার পর সেটি দাগিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনুবাদে এসেছে, গরম তেল দিয়ে তা দাগানো। এখানে চুরির দণ্ডের পাশাপাশি দণ্ডের পর শারীরিক ক্ষত সামলানোর একটি দিক দেখা যায়। হাদিসের ভাষা থেকে বোঝা যায়, দণ্ড কার্যকর করার পরও বিষয়টি শুধু শাস্তি দিয়ে শেষ নয়; ক্ষত থেকে রক্তপাত বা অতিরিক্ত ক্ষতি ঠেকানোর দিকও ছিল। তাই চোরের হাত কাটা হাদিস, দণ্ডের পর চিকিৎসা এবং হদ শাস্তির বাস্তব প্রয়োগ—এই বিষয়গুলো এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় আছে। এখানে বাড়তি কোনো দাবি না করে শুধু এতটুকুই বলা যায় যে, দণ্ডের পর ক্ষত দাগানোর নির্দেশ বর্ণিত হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসে চুরির দণ্ডের পর ক্ষত দাগানোর কথা এসেছে।
- দণ্ড কার্যকর করার পর শারীরিক ক্ষত সামলানোর দিকও দেখা যায়।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকে অতিরিক্ত কথা বানানো ঠিক নয়।
- চুরির দণ্ড বিচারভিত্তিক বিষয়, ব্যক্তিগত আচরণ নয়।
