১৮/২. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৭৩৩-[৩] - বিচারকের পদ কঠিন দায়িত্ব

প্রশাসনিক কর্মস্থলে কাজ করা এবং তা গ্রহণের দায়িত্বে ভয় করা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

বিচারকের পদ: মর্যাদা নয়, কঠিন দায়

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৭৩৩-[৩]

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مِنْ جُعِلَ قَاضِيًا بَيْنَ النَّاسِ فَقَدْ ذُبِحَ بِغَيْرِ سِكِّينٍ». رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তিকে জনগণের মাঝে কাজী (বিচারক) নিয়োগ দেয়া হলো, মূলত তাকে যেন চাকু ছাড়া যবেহ করা হলো।

[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ৩৫৭২, তিরমিযী ১৩২৫, ইবনু মাজাহ ২৩০৮, আহমাদ ৭১৪৫, সহীহ আল জামি‘ ৬১৯০, সহীহ আত্ তারগীব ২১৭১।

অনুবাদের উৎস

প্রকাশক:
হাদিস একাডেমী
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৭৩৩-[৩]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে বিচারকের পদকে খুব কঠিন দায়িত্ব হিসেবে দেখানো হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যাকে জনগণের মাঝে বিচারক করা হলো, যেন তাকে ছুরি ছাড়া জবাই করা হলো। এই ভাষা পদটির ভয় ও জবাবদিহি বোঝায়। বিচারকের কাজ শুধু কথা বলা নয়; মানুষের অধিকার, সম্মান, সম্পদ, শাস্তি ও ন্যায়ের সাথে জড়িত। ভুল বিচার কারো জীবনে বড় ক্ষতি আনতে পারে। তাই এই হাদিস বিচারকের পদকে লোভের বিষয় বানাতে নিষেধ করে এবং দায়িত্বের ভার মনে করায়। যারা বিচার, সালিশ বা সিদ্ধান্তের কাজে থাকেন, তাদের জন্য এটি বড় সতর্কতা—সত্য জানা, পক্ষপাত ছাড়া শোনা এবং আল্লাহকে ভয় করে ফায়সালা করা দরকার।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • বিচারকের পদ সম্মানের সাথে সাথে কঠিন জবাবদিহির বিষয়।
  • মানুষের অধিকার নিয়ে ফায়সালা করা হালকা কাজ নয়।
  • বিচারকের দায়িত্ব লোভ করে নেওয়ার বিষয় নয়।
  • ইনসাফ ও আল্লাহভীতি বিচারকের প্রধান সহায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন