১৯/১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৮৮০-[২০] - ঘোড়ার কেশ না কাটার শিক্ষা
যুদ্ধাস্ত্রের প্রস্তুতিকরণ - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
ঘোড়ার কপাল, ঘাড় ও লেজের চুলের গুরুত্ব
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৮৮০-[২০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৮৮০-[২০]
وَعَن عُتبةَ بن عبدٍ السُّلميِّ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «لَا تَقُصُّوا نَوَاصِيَ الْخَيْلِ وَلَا مَعَارِفَهَا وَلَا أَذْنَابَهَا فَإِنَّ أَذْنَابَهَا مَذَابُّهَا وَمَعَارِفَهَا دِفاءُها وَنَوَاصِيهَا مَعْقُودٌ فِيهَا الْخَيْرُ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ
‘উত্বাহ ইবনু 'আব্দুস সুলামী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি। তিনি (ﷺ) বলেছেন: তোমরা ঘোড়ার কপালের ও ঘাড়ের চুল এবং লেজের চুল কেটো না। কেননা লেজ হলো তার পাখা এবং ঘাড়ের চুল হলো উষ্ণতা রক্ষার উপকরণ, আর তার কপালের চুলের মধ্যে কল্যাণ নিহিত রয়েছে।
[১] য‘ঈফ : আবূ দাঊদ ২৫৪২, আহমাদ ১৭৬৪৩, য‘ঈফ আল জামি‘ ৬২৫৪, য‘ঈফ আত্ তারগীব ৮০৪। কারণ এর সানাদটি মুযত্বরাব।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৮৮০-[২০]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, ঘোড়ার কপালের চুল, ঘাড়ের চুল এবং লেজের চুল কেটো না। এরপর তিনি এর কারণও বলেছেন। লেজ হলো তার পাখা, অর্থাৎ কীটপতঙ্গ বা বিরক্তিকর জিনিস দূর করার উপায়। ঘাড়ের চুল তার উষ্ণতা রক্ষার উপকরণ। আর কপালের চুলের মধ্যে কল্যাণ রয়েছে। হাদিসটি ঘোড়ার যত্ন, দয়া এবং ব্যবহারিক প্রয়োজনের শিক্ষা দেয়। এতে বোঝা যায়, বাহন হিসেবে ব্যবহৃত প্রাণীরও স্বাভাবিক প্রয়োজন আছে, এবং অকারণে তার উপকারী অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত করা উচিত নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘোড়ার কপাল, ঘাড় ও লেজের চুল অকারণে কাটা নিষেধ করা হয়েছে।
- প্রাণীর স্বাভাবিক উপকারে লাগে এমন অংশের যত্ন নেওয়া দরকার।
- লেজ, ঘাড়ের চুল ও কপালের চুলের আলাদা উপকারিতা হাদিসে বলা হয়েছে।
- বাহন প্রাণীর প্রতিও দয়া ও যত্ন দেখানো উচিত।
