২০/২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪১০৫-[২] - দাঁতওয়ালা পশু ও পাঞ্জাওয়ালা পাখির বিধান
যেসব প্রাণী খাওয়া হালাল ও হারাম - প্রথম অনুচ্ছেদ
হিংস্র পশু ও শিকারি পাখি খাওয়ার বিধান
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪১০৫-[২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪১০৫-[২]
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ كُلِّ ذِي نَابٍ مِنَ السِّبَاعِ وَكُلِّ ذِي مِخْلَبٍ مِنَ الطَّيْرِ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যে কোন তীক্ষ্ণ দাঁতবিশিষ্ট হিংস্র জানোয়ার এবং ধারালো পাঞ্জাবিশিষ্ট পাখি খেতে নিষেধ করেছেন।
[১] সহীহ : সহীহ মুসলিম (১৯৩৪)-১৬, সহীহ ইবনু হিব্বান ৫২৮০, নাসায়ী ৪৩৪৮, ইবনু মাজাহ ৩২৩৪, দারিমী ১৯৮২, আবূ দাঊদ ৩৮০৫, ৩৮০৩, ৩৮০৮; আল মু‘জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ১২৮১৯, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ১৯৮৪০।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪১০৫-[২]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে দুই ধরনের প্রাণীর খাবার সম্পর্কিত নিষেধ এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তীক্ষ্ণ দাঁতবিশিষ্ট হিংস্র জানোয়ার এবং ধারালো পাঞ্জাবিশিষ্ট পাখি খেতে নিষেধ করেছেন। তাই হাদিসটি শুধু স্থলচর হিংস্র প্রাণীর কথা বলে না; শিকারি পাখির কথাও বলে। ধারালো পাঞ্জা দিয়ে যে পাখি শিকার ধরে, সেটিও এখানে আলোচনায় এসেছে। হালাল খাবার, হারাম প্রাণী এবং শিকারি পাখির মাংস নিয়ে প্রশ্ন হলে এই হাদিস একটি মূল দিক দেখায়। এতে খাবারের বিষয়ে সতর্কতা শেখানো হয়েছে। মুসলিমের জন্য খাবার বাছাইয়ে নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশ মানা ঈমানি শৃঙ্খলার অংশ। এই হাদিসে খাদ্যের বিধান খুব সংক্ষিপ্ত কিন্তু পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তীক্ষ্ণ দাঁতধারী হিংস্র জানোয়ার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
- ধারালো পাঞ্জাবিশিষ্ট শিকারি পাখির মাংস খাওয়াও নিষিদ্ধ।
- খাবারের বিষয়ে নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশকে গুরুত্ব দিতে হবে।
- প্রাণীর ধরন দেখে খাদ্যের বিধান বোঝার শিক্ষা পাওয়া যায়।
