২১/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪১৭৪-[১৬] - মুমিনের খাবার সংযমের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
খাদ্য - প্রথম অনুচ্ছেদ
أطعمة(আত্ব‘ইমাহ্) শব্দটি বহুবচন। এর একবচন হলطَعَامٌ(ত্ব‘আ-মুন)। অর্থ হলো, যে জিনিস খাওয়া বা ভক্ষণ করা হয়ে থাকে। এখানেأطعمة(আত্ব‘ইমাহ্) দ্বারা ভক্ষণীয় ও পানীয় উভয় ধরনের বস্তু উদ্দেশ্য। কিন্তু ভক্ষণীয় জিনিসকে প্রাধান্য দিয়ে লেখক শিরোনাম তৈরি করেছেন। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)মূলত এ অধ্যায়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যেসব খাবার খেয়েছেন, পান করেছেন অথবা খাননি, পানও করেননি তা বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। আর খাবার ও পান করার আদব বা শিষ্টাচার শিক্ষা দেয়া হয়েছে।[সম্পাদক]
মুমিনের খাওয়ায় সংযম: সংক্ষিপ্ত বর্ণনার শিক্ষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪১৭৪-[১৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪১৭৪-[১৬]
وَرَوَى مُسْلِمٌ عَنْ أَبِي مُوسَى وَابْنِ عُمَرَ الْمسند مِنْهُ فَقَط
ইমাম মুসলিম আবূ মূসা ও ইবনু ’উমর (রাঃ) হতে শুধুমাত্র রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বর্ণিত বাণীটিই (অর্থাৎ- اِنَّ الْمُؤْ مِنَ يَأْكُلُ.....) বর্ণনা করেছেন।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪১৭৪-[১৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই অংশে মূল ঘটনার দীর্ঘ বিবরণ নয়, বরং একটি সংক্ষিপ্ত সূত্রের কথা বলা হয়েছে। ইমাম মুসলিম আবূ মূসা ও ইবনু উমার (রাঃ) থেকে শুধু রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর বাণীটি বর্ণনা করেছেন—অর্থাৎ “মুমিন খায়...” এই বক্তব্য। তাই এই হাদিসের ব্যাখ্যায় নতুন কোনো ঘটনা যোগ করা ঠিক নয়। এখানে মূল শিক্ষা আগের একই বিষয়কে সংক্ষেপে তুলে ধরে: মুমিনের খাবারে সংযম, নিয়ন্ত্রণ এবং অতিরিক্ততা থেকে দূরে থাকার ইঙ্গিত। যেহেতু এখানে শুধু বাণীটি উল্লেখ হয়েছে, তাই এটিকে খাবারের আদব ও সংযমের একটি সংক্ষিপ্ত রেফারেন্স হিসেবে দেখা যায়। হাদিসটি আমাদের মনে করায়, খাওয়া-পানার মতো সাধারণ কাজেও ঈমানের প্রভাব থাকতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনায় মূল বাণীটি সংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে।
- মুমিনের খাবারে সংযমের শিক্ষা এখানে পুনরায় এসেছে।
- ঘটনার বাইরে নতুন বিবরণ যোগ না করা উচিত।
- খাওয়া-পানার ক্ষেত্রেও মুমিনের আচরণ আলাদা হতে পারে।
