২১/৪. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪২৮৮-[৩] - নবীয পান করার সময়সীমা ও সতর্কতা

নাকি ও নাবিজ সম্পর্কীয় বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ

নিহায়াতে এসেছে, নাক্বী’ হলো এমন পানীয় যা আঙ্গুর বা অন্যান্য হতে প্রস্তুত করা হয় যা পানিতে ভিজানো হয় পাকানো ছাড়া। আর খেজুর, আঙ্গুর, কিসমিস, মধু, গম ও যব ইত্যাদি ভিজিয়ে যে মিঠা শরবত প্রস্তুত করা হয় তা নবীয। যেমন বলা হয়, আমি আঙ্গুর ও খেজুরকে নবীয করেছি যখন পানিতে ভিজিয়ে রেখেছি যাতে নবীয হয়। এ নবীয অনেক উপকার বিশেষ করে শক্তি বৃদ্ধিতে।মীরাক (রহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ এটা সর্বসম্মতক্রমে হালাল যতক্ষণ পর্যন্ত মিষ্টি থাকে আর নেশাগ্রস্ত অবস্থায় না পৌঁছে। কেননা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সব নেশাই হারাম। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)

নবীয পান করার সময়সীমা: সতর্কতার শিক্ষা

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪২৮৮-[৩]

وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُنْبَذُ لَهُ أَوَّلَ اللَّيْلِ فَيَشْرَبُهُ إِذَا أَصْبَحَ يَوْمَهُ ذَلِكَ وَاللَّيْلَةَ الَّتِي تَجِيءُ وَالْغَدَ وَاللَّيْلَةَ الْأُخْرَى وَالْغَدَ إِلَى الْعَصْرِ فَإِنْ بَقِيَ شَيْءٌ سَقَاهُ الْخَادِمَ أَوْ أَمَرَ بهِ فصُبَّ. رَوَاهُ مُسلم

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য রাত্রের প্রথম ভাগে নবীয তৈরি করা হত। তিনি তা পরবর্তী দিন সকালে, এর পরের রাত্রে, দ্বিতীয় দিনে ও দ্বিতীয় রাত্রে এবং তৃতীয় দিন ‘আস্র পর্যন্ত পান করতেন। এরপরও যদি কিছু অবশিষ্ট থাকত, তা চাকর- বাকরদেরকে পান করাতেন অথবা ফেলে দেয়ার জন্য নির্দেশ করতেন, তখন তা ফেলে দেয়া হত।

[১] সহীহ : মুসলিম (২০০৪)-৭৯, মুসনাদে আহমাদ ২৪৯৩০।

অনুবাদের উৎস

প্রকাশক:
হাদিস একাডেমী
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪২৮৮-[৩]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর জন্য রাতের প্রথম ভাগে নবীয তৈরি করা হতো। তিনি তা পরের সকাল, সেই দিন, পরের রাত, দ্বিতীয় দিন, দ্বিতীয় রাত এবং তৃতীয় দিনের আসর পর্যন্ত পান করতেন। এরপরও কিছু অবশিষ্ট থাকলে তা চাকরদের পান করাতেন অথবা ফেলে দিতে বলতেন। হাদিসের মূল বিষয় নবীয এবং পানীয়ের সময়সীমা। এখানে পানীয় রাখার ক্ষেত্রে সতর্কতা স্পষ্ট। কোনো জিনিস দীর্ঘ সময় রেখে সন্দেহের জায়গা তৈরি না করা ভালো। তবে এই ব্যাখ্যা শুধু বর্ণিত নবীযের সময়সীমার ওপরই সীমিত। এতে দেখা যায়, খাবার-পানীয়ের ব্যবহারে অপচয় না করা এবং নিরাপদ ব্যবস্থাও খেয়াল রাখা হয়েছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবীয নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রাখা ও পান করার বর্ণনা এসেছে।
  • অবশিষ্ট পানীয় কখনো দেওয়া হয়েছে, কখনো ফেলে দিতে নির্দেশ করা হয়েছে।
  • পানীয়ের নিরাপত্তা ও সময়ের দিকে খেয়াল রাখা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন