৩/৭. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৮৯-[১৬] - রোদে গরম পানির সতর্কতা
পানির বিবরণ - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
রোদে গরম করা পানি দিয়ে গোসলের সতর্কতা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৮৯-[১৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৮৯-[১৬]
عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ قَالَ لَا تَغْتَسِلُوْا بِالْمَاءِ الْمُشَمَّسِ فَاِنَّه يُوْرِثُ الْبَرَصَ. رَوَاهُ الدَّارَ قُطْنِى
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রোদে গরম করা পানি দিয়ে গোসল করো না। কারণ এ পানি শ্বেত ও কুষ্ঠ রোগ সৃষ্টি করে। (দারাকুত্বনী)[১]
[১] য‘ঈফ : দারাকুত্বনী ১/৩৯, বায়হাক্বী ১/৬, তালখীসুল হাবীর ৬, ৭ নং পৃঃ। কারণ এর সানাদে হায়সাম ইবনু আযহার আস্ সালাফী নামে একজন দুর্বল রাবী রয়েছে যাকে ইবনু হিব্বান (রহঃ) ছাড়া কেউ বিশ্বস্ত বলেননি। আর তাঁর তাওসীক করণকে অনেকেই সঠিক বলেননি। কারণ তিনি মাজহূল (অপরিচিত) রাবীদেরও বিশ্বস্ত বলে থাকেন।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৮৯-[১৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর বক্তব্য এসেছে: রোদে গরম করা পানি দিয়ে গোসল করো না; কারণ এ পানি শ্বেত ও কুষ্ঠ রোগ সৃষ্টি করে। হাদিসটি পানির ব্যবহার ও গোসলের সতর্কতার সঙ্গে যুক্ত। এখানে মূল কথা হলো, রোদে গরম পানি দিয়ে গোসল না করার নির্দেশ এবং তার সঙ্গে ক্ষতির কারণ উল্লেখ। আমরা এই বর্ণনার বাইরে গিয়ে চিকিৎসাবিদ্যার কোনো অতিরিক্ত দাবি করছি না। শুধু হাদিসের পাঠে যা এসেছে, সেটিই সহজ ভাষায় বোঝানো হচ্ছে। “রোদে গরম পানি”, “গোসলের পানি”, “শ্বেত রোগ” এবং “কুষ্ঠ রোগ” এই হাদিসের সঙ্গে সম্পর্কিত সার্চ শব্দ। এই ধরনের বর্ণনা পড়ার সময় মূল বক্তব্যের সীমা ধরে রাখা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনায় রোদে গরম পানি দিয়ে গোসল করতে নিষেধ করা হয়েছে।
- পানির ব্যবহার নিয়েও সতর্কতার শিক্ষা আছে।
- বর্ণনায় শ্বেত ও কুষ্ঠ রোগের ক্ষতির কথা উল্লেখ হয়েছে।
- হাদিস বোঝার সময় মূল ভাষার সীমা মানা দরকার।
