৩/৭. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৮৫-[১২] - খামীরের দাগ থাকা পানি
পানির বিবরণ - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
খামীরের দাগ থাকা পানি দিয়ে গোসল
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৮৫-[১২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৮৫-[১২]
وَعَنْ اُمِّ هَانِىءٍ قَالَتْ اِغْتَسَلَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ هُوَ وَمَيْمُوْنَةُ فِىْ قَصْعَةٍ فِيْهَا اَثَرُ الْعَجِيْنِ. رَوَاهُ النِّسَآئِىُّ وَاِبْنُ مَاجَةَ
উম্মু হানী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও উম্মুল মু’মিনীন মায়মূনাহ্ (রাঃ) একটি গামলার পানি দিয়ে গোসল করেছেন, যাতে আটার খামীরের অবশিষ্ট ছিল। [১]
[১] সহীহ : নাসায়ী ২৪০, ইবনু মাজাহ্ ৩৭৮।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৮৫-[১২]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উম্মু হানী (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ও উম্মুল মু’মিনীন মায়মূনাহ্ (রাঃ) একটি গামলার পানি দিয়ে গোসল করেছেন। সেই গামলায় আটার খামীরের অবশিষ্ট ছিল। বর্ণনাটি খুব সাধারণ একটি ঘরের ঘটনার মতো, কিন্তু পবিত্রতার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক দেখায়। পানি বা পাত্রে সামান্য খাবারের দাগ বা খামীরের অবশিষ্ট থাকলেই সেটিকে অকারণে অযোগ্য ভাবার দরকার নেই—এই হাদিসে এমন ব্যবহারিক ইঙ্গিত পাওয়া যায়। অবশ্য হাদিসে যা বলা হয়েছে, আমরা সেটুকুতেই সীমাবদ্ধ থাকব: গামলায় খামীরের চিহ্ন ছিল এবং সেই পানি দিয়ে গোসল হয়েছে। “গোসলের পানি”, “খামীরের দাগ থাকা পানি” এবং “পবিত্রতার হাদিস” এই বিষয়ের মূল সার্চ টার্ম।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গোসলের পানির বিষয়ে অকারণ সন্দেহ করা ঠিক নয়।
- পাত্রে খামীরের অবশিষ্ট থাকলেও এই বর্ণনায় গোসলের ঘটনা এসেছে।
- দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ বিষয়েও হাদিসে দিকনির্দেশনা আছে।
- পবিত্রতা মানে অযথা কষ্ট তৈরি করা নয়।
