২৬/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫২২৩-[৬৯] - সত্য, আমানত ও অপ্রয়োজনীয় কাজ বর্জন
মন-গলানো উপদেশমালা সম্পর্কিত - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
সত্য কথা ও অর্থহীন কাজ বর্জনের শিক্ষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৫২২৩-[৬৯]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৫২২৩-[৬৯]
وَعَنْ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: بَلَغَنِي أَنَّهُ قِيلَ لِلُقْمَانَ الْحَكِيمِ: مَا بَلَغَ بِكَ مَا ترى؟ يَعْنِي الْفَضْلَ قَالَ: صِدْقُ الْحَدِيثِ وَأَدَاءُ الْأَمَانَةِ وَتَرْكُ مَا لَا يَعْنِينِي. رَوَاهُ فِي «الْمُوَطَّأِ» اسنادہ ضعیف، رواہ مالک فی الموطا (2 / 990 ح 1926 بدون سند) ۔ (ضَعِيف)
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমার নিকট এ সংবাদ পৌঁছেছে যে, লুক্বমান হাকীম (আঃ) -কে জিজ্ঞেস করা হলো, আমরা আপনাকে যে মর্যাদায় দেখছি, সে মর্যাদায় আপনি কিভাবে পৌঁছেছেন? তিনি বললেন : সত্য কথা বলা, আমানত যথাযথ পরিশোধ করা এবং অর্থহীন কাজ বর্জন করার মাধ্যমে।
ইমাম মালিক (রহঃ) এককভাবে বর্ণন করেছেন; মুওয়াত্ত্বা মালিক ১৮১৩/১৭।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫২২৩-[৬৯]-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় লুকমান হাকীম সম্পর্কে বলা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তিনি যে মর্যাদায় পৌঁছেছেন, তার কারণ কী। উত্তরে তিনি তিনটি কাজের কথা বলেন—সত্য কথা বলা, আমানত যথাযথভাবে আদায় করা এবং যে কাজ নিজের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় তা ছেড়ে দেওয়া। বর্ণনাটি সনদের দিক থেকে দুর্বল বলা হয়েছে, তাই এটিকে সতর্কতার সঙ্গে উল্লেখ করা উচিত। তবে এখানে যে শিক্ষা এসেছে তা খুব সহজ ও ব্যবহারিক। অনেক সময় মানুষ অপ্রয়োজনীয় কথা, অন্যের বিষয়ে নাক গলানো বা অর্থহীন কাজে সময় নষ্ট করে। এই বর্ণনা মনে করিয়ে দেয়, সত্যবাদিতা, আমানতদারি এবং অপ্রয়োজনীয় কাজ থেকে দূরে থাকা মানুষের ব্যক্তিত্বকে সুন্দর করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সত্য কথা বলা সম্মানজনক চরিত্রের অংশ।
- আমানত যথাযথভাবে আদায় করা দায়িত্ববোধ শেখায়।
- অর্থহীন কাজে সময় নষ্ট না করা বুদ্ধিমানের কাজ।
- নিজের কাজে মনোযোগ দেওয়া চরিত্রকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখে।
